—প্রতীকী চিত্র।
উত্তর-দক্ষিণ মেট্রোয় প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের স্বয়ংক্রিয় গেটগুলির মেয়াদ অধিকাংশ স্টেশনে অনেক আগেই ফুরিয়েছে। ওই সব স্মার্ট গেট প্রায়ই কাগজের কিউআর কোডের টিকিট স্ক্যান করতে গিয়ে অনেক বেশি সময় নেয়। এর ফলে ভিড়ের সময়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। এ ছাড়াও বহু সময়ে স্মার্ট কার্ড এবং টোকেন ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রেও নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করে। ভিড়ের সময়ে গেটে আটকে পড়া যাত্রীদের কারণে স্টেশনে বিশৃঙ্খলা এড়াতে মাঝেমধ্যেই ওই সব গেট সম্পূর্ণ খুলে রাখতে হয়। ১৫ বছরেরও বেশি পুরনো, নীল রঙের ওই সব স্বয়ংক্রিয় গেটের যন্ত্রাংশ এখন মেলে না। ফলে বহু গেট আংশিক ভাবে কাজ করে। গেট বিকল হওয়ার পরিস্থিতিতে জোড়াতালি দিয়ে এক গেটের যন্ত্রাংশ খুলে অন্য গেটে বসাতে হয় বলে অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে এ নিয়ে যাত্রীদের ভোগান্তি চললেও মেট্রো কর্তৃপক্ষ তহবিলের অভাবে গেট বদল করতে পারেননি বলে অভিযোগ। পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোর পরিষেবা শুরু হওয়ার সময়ে এসপ্লানেড স্টেশনে কিছু গেট বদল করা হয়েছিল। তাতে ওই স্টেশনের পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হয়েছে।
সম্প্রতি মেট্রোর পক্ষ থেকে ন’টি স্টেশনের স্মার্ট গেট বদল করার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। ওই সব স্টেশনের মধ্যে রয়েছে দমদম, চাঁদনি চক, সেন্ট্রাল, এসপ্লানেড, রবীন্দ্র সদন, কালীঘাট, মহানায়ক উত্তমকুমার, কবি নজরুল এবং কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন। প্রায় ২৫ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা এই কাজের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে বলে মেট্রো সূত্রের খবর। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের ১০ তারিখ ওই দরপত্র খোলার কথা।
নির্বাচিত সংস্থাকে ওই গেটের নকশা, গেট সরবরাহ, স্থাপন এবং কার্যকর করার কাজ সম্পন্ন করতে হবে। বরাত নিশ্চিত হওয়ার পরে কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য মিলবে আট মাস। সে ক্ষেত্রে চলতি বছরের শেষে ওই কাজ সম্পূর্ণ হতে পারে বলে খবর। চলতি দফায় যাত্রীবহুল, গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে গেট বদলের কাজ হচ্ছে। ভবিষ্যতে অন্য স্টেশনগুলিতেও ধাপে ধাপে ওই কাজ করা হবে বলে খবর।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে