—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
চিনাদের স্কুল থেকে সিআইএসএফ জওয়ানদের আংশিক ভাবে সরানো যায় কিনা, সে বিষয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চাইল কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের নির্দেশ, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ফের এই মামলার শুনানি হবে। সে দিন বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়ে রাজ্য তাদের বক্তব্য পেশ করবে।
উল্লেখ্য, আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিরাপত্তায় মোতায়েন সিআইএসএফ জওয়ানদের রাখতে ট্যাংরায় চিনাদের একটি বেসরকারি স্কুল নিয়েছিল রাজ্য। দু’মাসের জন্য নেওয়া হয়েছিল ওই স্কুলবাড়িটি। কিন্তু অভিযোগ, ১৪ মাস কেটে গেলেও এখনও কোনও বিকল্প ব্যবস্থা করেনি রাজ্য। তার পরেই সিআইএসএফ জওয়ানদের সরানোর ব্যবস্থা করার আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।
এ দিন স্কুল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী কোর্টে দাবি করেন, সামনেই চিনা নতুন বছর। সেই বিষয়টি বিবেচনা করে আপাতত আংশিক ভাবে জওয়ানদের স্কুলবাড়ি থেকে সরানোর ব্যবস্থা করুক রাজ্য সরকার। তাঁর অভিযোগ, গত দু’বছর ধরে স্কুলে জওয়ানেরা থাকায় চিনা সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা নতুন বছর পালন করতে পারেননি। অন্তত এ বার নতুন বছর উদ্যাপনের জন্য রাজ্যকে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিক আদালত, আর্জি জানান আইনজীবী।
এ দিনের শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী রিপোর্ট দিয়ে জানান যে, স্কুল ভবনের পরিকাঠামো সংস্কার ও উন্নয়নে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা খরচ করেছে রাজ্য। তাঁর আরও দাবি, দু’মাসের জন্য ওই স্কুলবাড়ি নেওয়া হলেও কাছাকাছি কোনও থাকার ব্যবস্থা করতে না পারায় এখনও সেখানেই রয়েছে দু’কোম্পানি সিআইএসএফ জওয়ান। বিকল্প ব্যবস্থা করার জন্য ছ’মাস সময় দেওয়ার আবেদনও করেন রাজ্যের আইনজীবী।
এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের পাল্টা মন্তব্য, ‘‘আপনারা ছ’মাস সময় চেয়েছিলেন ডিসেম্বর মাসে। তার পরে দু’মাস পেরিয়ে গিয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা করতে আর কত সময় লাগবে? সল্টলেকে সিআইএসএফ-এর আবাসন প্রকল্প রয়েছে, সেখান থেকে যাতায়াতের ব্যবস্থা করুন।’’ এর পরেই আংশিক ভাবে জওয়ানদের সরানোর ক্ষেত্রে রাজ্যের অবস্থান জানতে পরবর্তী শুনানির দিন তথ্য তলব করে কোর্ট।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে