রেড রোডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন মদন মিত্র, কুণাল ঘোষ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেনেরা। ছবি: সংগৃহীত।
ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর ২টো নাগাদ তিনি কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রথমেই পৌঁছে যান রেড রোডে। সেখানে বিআর অম্বেদকরের মূর্তিতে মালা দেন মমতা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মদন মিত্র, কুণাল ঘোষ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন, অসীমা পাত্ররা। তার পর সেখান থেকে সোজা চলে যান ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূলের ধর্নামঞ্চে।
মঙ্গলবার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূলের ধর্নার অনুমতি দিয়েছে পুলিশ, দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুমতি রয়েছে। সেই মতো তৃণমূলের প্রস্তুতিও শুরু করেছে। তবে এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সতর্কও পুলিশও। ওয়াই চ্যানেল ঘিরে রয়েছে পুলিশ বাহিনী। চোখে পড়ার মতো মহিলা পুলিশের সংখ্যাও।
ওয়াই চ্যানেলে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ছবি: সারমিন বেগম।
ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে ধর্না কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন মমতা। তবে ওই জায়গায় তৃণমূলের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির অনুমতি মেলেনি। সোমবার পুলিশের তরফে জানানো হয়, রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে নয়, ওয়াই চ্যানেলে ধর্না কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। সেই মতো আবেদন করতে হবে তৃণমূলকে। যদিও তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ সোমবার থেকেই বার বার প্রশ্ন তুলছেন, কেন আবার তাঁরা নতুন করে আবেদন করবেন? একই প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, “রাত সাড়ে ১২টায় ইমেল পাঠিয়ে পুলিশ বলেছে ওয়াই চ্যানেলে কিছু করার জন্য অনুমতি নিতে হবে। এটা কি সম্ভব? তাহলে আগে বলল না কেন? এটা তো বিরোধী স্বরকে দমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা।” আর সেই সেই কারণেই মমতার কর্মসূচি নিয়ে জট সৃষ্টি হয়।
যদিও মঙ্গলবার বেলা গড়াতে একে একে তৃণমূল নেতারা ওয়াই চ্যানেলে আসতে শুরু করেন। শোভনদেব, নয়না, চন্দ্রিমারা ছাড়াও রয়েছেন অশোক দেবের মতো প্রবীণ নেতারাও। শুধু তা-ই নয়, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরাও একে একে জড়ো হতে শুরু করেন ওয়াই চ্যানেলে। সকলের মুখে, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান।
ভোটের পর মমতার প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে অনিয়শ্চতার মূলেই ছিল পুলিশের অনুমতি না-পাওয়া। তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, বিজেপি প্রতিহিংসাপরায়ন হয়েই তাদের কর্মসূচির অনমতি দেওয়া হচ্ছে না। যদিও অতীতে তৃণমূলের শাসনকালে বিজেপির প্রায় অনেক কর্মসূচি নিয়েই এ ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিত। মিলত না পুলিশের অনুমতি। রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী দলনেতা তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে কোনও কর্মসূচি করতে গেলেই আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে মিছিল-মিটিং করতে হয়েছে শুভেন্দু বা বিজেপি-কে।
ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। ছবি: সারমিন বেগম।
(এই খবরটি সবে প্রকাশ করা হয়েছে। বিস্তারিত কিছু ক্ষণের মধ্যে আসছে। পাতাটি কিছু ক্ষণ পর পর ‘রিফ্রেশ’ করলে আপনি সর্বশেষ খবর দেখতে পাবেন। দ্রুত খবর পৌঁছে দেওয়ার সময়েও আমাদের তথ্যের সত্যাসত্য সম্পর্কে সচেতন থাকতে হয়। সে জন্যই যে কোনও ‘খবর’ পাওয়ার পর সেটি সম্পর্কে নিশ্চিত না-হয়ে আমরা তা প্রকাশ করি না। ‘ফেক নিউজ়’ বা ভুয়ো খবরের রমরমার সময়ে এই পদ্ধতি আরও জরুরি)