হাসপাতালের বাইরে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের ভিড়। — নিজস্ব চিত্র।
হাসপাতাল চত্বরে এসে পৌঁছেছেন হবু বিধায়ক অশোক দিন্ডা। তবে তিনি নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, প্রায় অচেতন হয়ে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁকে প্রথমে হাসপাতালের ভিতরে নিয়ে গিয়ে বসানো হয়। বর্তমানে তিনি ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন।
হাসপাতাল চত্বরে এসে পৌঁছেছেন সৌমিত্র খাঁ ও সন্ময় বন্দ্যোপাধ্য়ায়।
হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেদের ভিড় বাড়ছে। সেই সঙ্গে চলছে বিক্ষোভ ও স্লোগান। ভিতরে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, অগ্নিমিত্রা পাল, রাজু বন্দ্যোপাধ্য়ায়, অর্জুন সিংহ, শঙ্কর ঘোষ, শঙ্কর চট্টোপাধ্য়ায়, কৌস্তভ বাগচী, পীযূষ কানোরিয়া-সহ বিজেপির শীর্ষনেতৃত্ব।
বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ। —নিজস্ব চিত্র।
হাসপাতালে এসে পৌঁছেছেন নোয়াপাড়ার বিজেপি হবু বিধায়ক অর্জুন সিংহ।
অর্জুন সিংহ। —নিজস্ব চিত্র।
মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে পৌঁছোলেন হবু বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল ও বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা।
বারাসতের হবু বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায় ও জোড়াসাঁকোর হবু বিধায়ক বিজয় ওঝা এসে পৌঁছেছেন হাসপাতালে।
আপ্তসহায়কের মৃত্যুর খবর পেয়ে মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে পৌঁছেছেন শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদার। হাসপাতালের বাইরে ভিড় জমিয়েছেন বিজেপির কর্মী ও সমর্থকেরা। কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে দলের কর্মীরা ভিড় জমাচ্ছেন হাসপাতালে। উঠছে ‘বিচার চাই’ স্লোগান। হাসপাতাল চত্বরে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীও।
হাসপাতাল চত্বরে সুকান্ত মজুমদার। —নিজস্ব চিত্র।
মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন। চারটি বাইকে আট জন দুস্কৃতী এসে পিছু ধাওয়া করার পরে গাড়ি দাঁড় করিয়ে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে চার রাউন্ড গুলি চালায়।
চন্দ্রনাথের সঙ্গে থাকা বুদ্ধদেব বেরা নামে এক যুবকও গুলিবিদ্ধ। দু’জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথের দেহ পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে রয়েছেন চন্দ্রনাথের পরিবারের সদস্যেরা। বুদ্ধদেবকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে কলকাতার বাইপাসের একটি হাসপাতালে।
চন্দ্রনাথ রথ। ছবি: সংগৃহীত।