—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
প্রায় ১৩ বছর ধরে আধার ও ভোটার কার্ড তৈরি করে এ দেশে থাকার অভিযোগে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘিতে সন্দেহভাজন এক বাংলাদেশি পরিবারের পাঁচ জনকে আটক করেছে পুলিশ। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের রাধিকাপুরেও অনুপ্রবেশের অভিযোগে আট সন্দেহভাজন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। তাঁদের সকলকে আপাতত রাখা হয়েছে স্থানীয় আটক শিবিরে (হোল্ডিং সেন্টার)। প্রশাসন সূত্রের খবর, নিয়ম মেনে তাঁদের বাংলাদেশে পাঠাবে বিএসএফ।
পুলিশ জানায়, সাগরদিঘির ওই পরিবার সম্পর্কে দু’দিন আগে খবর মেলে। শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সেখানে গেলে, নিজেদের বাংলাদেশি পরিচয় অস্বীকার করে পরিবারটি। পুলিশের দাবি, টানা জিজ্ঞাসাবাদে তারা তা স্বীকার করে। পুলিশ জেনেছে, তিন নাবালক সন্তানকে নিয়ে দম্পতি ১৫ শতক জমি কিনে বাড়ি তৈরি করে থাকছিলেন। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের মাধ্যমে তাঁরা আধার কার্ড, ভোটার কার্ডও তৈরি করিয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।
উত্তর দিনাজপুরের চোপরা থেকে এক জন, গোয়ালপোখর থেকে তিন জন, করণদিঘির রসাখোয়া ও দোমোহনা থেকে তিন জন এবং কালিয়াগঞ্জের দেওগাঁ থেকে এক জনকে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, তাঁরা ভারতে ঢুকে ভিন্ রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করতেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ ফেরার চেষ্টা করছিলেন।
শনিবার নদিয়া সীমান্ত দিয়ে দুই মহিলা ও এক শিশু-সহ মোট ছ’জনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো (পুশ ব্যাক) নিয়ে বিএসএফ এবং বিজিবি-র মতবিরোধ তৈরি হয়। বিজিবি তাঁদের ফেরত নিতে আপত্তি জানায়। বিএসএফ সন্ধ্যার পরে ছ’জনকে জ়িরো লাইনে পাটখেতের ধারে বসিয়ে রেখে গেট বন্ধ করে দেয়। রবিবার সকালে বিএসএফ জওয়ানেরা সেখানে গিয়ে তাঁদের আর দেখতে পাননি। তাঁরা বাংলাদেশের দিকে চলে গিয়েছেন বলে বিএসএফ সূত্রের দাবি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে