টাকা তোলার নালিশ

পরীক্ষা চলাকালীন কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রছাত্রীদের কাছে টাকা নিয়েছে জেনারেটারের তেল কেনার জন্য। এমনই অভিযোগ উঠল ঝাড়গ্রামের মানিকপাড়া বিবেকানন্দ শতবার্ষিকী কলেজের বিরুদ্ধে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ০১:০২
Share:

পরীক্ষা চলাকালীন কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রছাত্রীদের কাছে টাকা নিয়েছে জেনারেটারের তেল কেনার জন্য। এমনই অভিযোগ উঠল ঝাড়গ্রামের মানিকপাড়া বিবেকানন্দ শতবার্ষিকী কলেজের বিরুদ্ধে। অভিযোগ করেছেন ওই কলেজে পরীক্ষা দিতে আসা স্থানীয় বিভিন্ন কলেজের ছাত্রছাত্রীদের একাংশ।

Advertisement

জানা গিয়েছে ২০১৭ শিক্ষা বর্ষের পার্ট-থ্রি পরীক্ষা চলছে। মানিকপাড়া কলেজে সিট পড়েছে ঝাড়গ্রাম, কাপগাড়ি, কেশপুর, শিলদা, নেড়াজল ও কুলটিকরি— ছ’টি কলেজের ২৬৯ জন পরীক্ষার্থীর। অভিযোগ, পরীক্ষা দিতে আসা প্রত্যেকের কাছ থেকেই ১০ টাকা করে চাঁদা নিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। বলা হয়েছে পরীক্ষা চলাকালীন জেনারেটর চালানো হয়েছে। সে জন্য তেলের দাম বাবদ ওই টাকা দিতে হবে।

রাজ্য সরকার এক নির্দেশ নামায় বলা রয়েছে শুধু শিক্ষা বা ভর্তির প্রয়োজন ছাড়া কোনও অতিরিক্ত অর্থ পড়ুয়াদের কাছ থেকে নেওয়া যাবে না। তা ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্র হিসাবে সরকারের কাছ থেকেই খরচ পাওয়ার কথা ওই কলেজের।

Advertisement

তবে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের বিরুদ্ধে মাঝে মাঝেই এ রকম অভিযোগ উঠেছে। বিবেকানন্দ কলেজে পরীক্ষা দিতে আসা সব পরীক্ষার্থী অবশ্য টাকা দিতে চাননি। কেউ কেউ আবার দিয়েও ছিলেন।

শুক্রবার ওই কলেজের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক শেখ নজরুলকে বিষয়টি জানান বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থী। শেখ নজরুল বলেন, ‘‘ছাত্র সংসদের সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা না করে, একতরফা সিদ্ধান্তে এ কাজ করেছেন অধ্যক্ষা নিজে।’’ তাঁর দাবি তিনিও অধ্যক্ষার কাছে বিষয়টি জানতে চেয়েছিলেন। উত্তরে অধ্যক্ষা জািনয়েছেন, কলেজ ফান্ডের টাকা কম রয়েছে। তাই এই টাকাটা নেওয়া হয়েছে জেনারেটারের তেল কেনার জন্য। নজরুল আশ্বাস দেন ওই টাকা পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রছাত্রীদের ফেরত দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছেন তাঁরা।

এ দিকে কলেজের অধ্যক্ষা উমা ভৌমিক িনর্বিকার। তিনি স্পষ্ট বলেন, ‘‘কলেজে এ রকম একটা টাকা নেওয়া হয়েছিল। সব কলেজেই নেওয়া হয়।’’ তবে তিনি স্বীকার করেছেন, ‘‘ছাত্রছাত্রীদের আপত্তি আছে। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি পরীক্ষা শেষে এই টাকা ফেরত দিয়ে দেব।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement