ধানের জমিতে পড়ে হাতির নিথর দেহ। —নিজস্ব ছবি।
ধানখেতে পূর্ণবয়স্ক দাঁতালের নিথর দেহ উদ্ধার। জঙ্গলমহলে আবার একটি হাতির মৃত্যু ঘিরে শোরগোল এলাকায়। ময়নাতদন্তের সময় মৃত হস্তিনীর পেট থেকে উদ্ধার হয় একটি মৃত শাবকও। ফলে রহস্য আরও গাঢ় হয়েছে। ম
শুক্রবার মেদিনীপুর সদর ব্লকের শিরষি এলাকায় একটি দাঁতালের ‘রহস্যমৃত্যু’র তদন্ত শুরু করে বন দফতর। ঘটনাস্থলে যান মেদিনীপুর ডিভিশনের চাঁদড়া রেঞ্জের বনকর্মীরা এবং পুলিশ। মনে করা হচ্ছে, বেশি খাবার খেয়ে ফেলায় এই পরিণতি। তবে অন্য কোনও কারণ আছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
চাঁদড়া সংলগ্ন শিরষিতে বিঘার পর বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়। স্থানীয়েরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক দিন ধরে সন্ধ্যা হলেই ২০-২২টি হাতি ধানের খেতে নেমে পড়ছে খেতে। বৃহস্পতিবার রাতেও তাণ্ডব চালিয়েছে তারা। শুক্রবার সকালে কৃষকেরা মাঠে গিয়ে দেখেন, ধানের খেতে একটি দাঁতাল মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। খবর যায় বন দফতরের কাছে।
সকাল ৯টা নাগাদ চাঁদড়া রেঞ্জের আধিকারিক এবং কর্মীরা
সেখানো পৌঁছোন। ঘটনাস্থলে যায় গুড়গুড়িপাল থানার পুলিশও। চাঁদড়া রেঞ্জের এক
আধিকারিক বলেন, ‘‘একটি পূর্ণবয়স্ক হাতির মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর কারণ
খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিয়ম মেনেই ময়নাতদন্ত করা হবে। সেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
বন দফতরের প্রাথমিক অনুমান, অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ফলে
মৃত্যু হয়েছে হাতিটির।’’ সন্ধ্যায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত পরিষ্কার নয় হস্তিনীর মৃত্যুর কারণ। রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ পরিষ্কার হবে বলে জানাচ্ছে বন দফতর। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রামে একটি
হস্তিশাবকের মৃত্যু হয়েছে।