West Bengal Elections 2026

হিংসা শুরু নন্দীগ্রামে, আহত ১৪

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৪৭
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

প্রার্থী ঘোষণা থেকে প্রচার পর্ব এত দিন ছিল কার্যত নিরুত্তাপ। কিন্তু প্রথম দফার ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে দফায়-দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল নন্দীগ্রাম।

সোমবার সকালে ভোট প্রচার ঘিরে তৃণমূল-বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের হাতাহাতি হয়। দু’পক্ষের ১০ জন আহত হন। দুপুরে গ্রামবাসীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চার জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ।

সোমবার সকালে নন্দীগ্রামের ভেকুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের জেলেমারা গ্রামে তৃণমূল ও বিজেপি, নিজের নিজের দলের প্রার্থীর প্রচার করছিল। আচমকা তাঁদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয় মারামারি। বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে বলে অভিযোগ। অস্ত্র নিয়ে তৃণমূলের কর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। এই ঘটনায় গৌতম শীট সহ বিজেপির চার জন আহত হন। অশান্তির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ এবং সিআরপিএফ কর্মীরা। আহতদের উদ্ধার করে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। সেখানে আহতদের দেখতে যান নন্দীগ্রামের বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী এজেন্ট মেঘনাদ পাল।

মেঘনাদ বলেন,"জেলেমারা গ্রামের ৩৭ নম্বর বুথে আমাদের পাঁচ জন কর্মীকে ভোটপ্রচারের সময় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে। তাঁদের যে ভাবে কোপানো হয়েছে তাতে স্পষ্ট যে, খুনের উদ্দেশ্যে হামলা চলেছে। আমরা কমিশনে দাবি জানাব যাতে অবিলম্বে নন্দীগ্রামের সব দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়। তা না-হলে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব হবে না।"

পরে তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুজিত কুমার রায় দাবি করেন,"মিথ্যা কথা। আমাদের কর্মীরা যখন ভোট প্রচার করছিলেন তখন উল্টে বিজেপির লোকজনই হামলা চালিয়েছে। আমাদের ৪-৫ জন আহত হয়েছেন। কয়েকজন সমর্থকের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁরা বেরোতে ভয় পাচ্ছেন।" এ দিন এলাকায় সিআরপিএফ রুটমার্চ করেছে।

অন্যদিকে, এ দিন কাঠগড়ায় উঠেছে সিআরপিএফে’র ভূমিকাও। স্থানীয় সূত্রের খবর, এ দিন দুপুরে নন্দীগ্রামের কাঞ্চনপুরে বিনা কারণে সাধারণ গ্রামবাসীকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা মারধর করেছে বলে অভিযোগ। এক নাবালককেও মারধর করা হয়েছে বলে দাবি। যদিও তার প্রমাণ মেলেনি। হয়নি লিখিত অভিযোগও। তবে ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মহিলারা। খোকন সাঁতরা নামে স্থানীয় এক যুবক বলেন, ‘‘কর্মসূত্রে হাওড়ায় থাকি। ভোট দিতে বাড়ি ফিরেছিলাম। কিছু বুঝে ওঠার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানেরা মেরেছে।’’ এই ঘটনায় চার জন আহত হয়েছেন বলে গ্রামবাসীর দাবি। তাঁদের চিকিৎসা চলছে নন্দীগ্রাম সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন