ঝাড়গ্রামে বৃদ্ধার অস্বাভাবিক মৃত্যু

ঝাড়গ্রামে অস্বাভাবিক মৃত্যু হল এক বৃদ্ধার। বুধবার রাতে ঝাড়গ্রাম শহরের রঘুনাথপুরে নিজের বাড়িতে পারুলরানি নন্দী (৭০) নামে ওই বৃদ্ধার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর একমাত্র ছেলে বিশিষ্ট চিকিত্‌সক সঞ্জয় নন্দী বুধবার রাতে ঝাড়গ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগে দাবি করেছেন, তাঁর বাবার মৃত্যুর পর থেকে পারুলরানিদেবী মানসিক অবসাদে ভুগতেন। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:২৮
Share:

পারুলরানি নন্দী।

ঝাড়গ্রামে অস্বাভাবিক মৃত্যু হল এক বৃদ্ধার। বুধবার রাতে ঝাড়গ্রাম শহরের রঘুনাথপুরে নিজের বাড়িতে পারুলরানি নন্দী (৭০) নামে ওই বৃদ্ধার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর একমাত্র ছেলে বিশিষ্ট চিকিত্‌সক সঞ্জয় নন্দী বুধবার রাতে ঝাড়গ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগে দাবি করেছেন, তাঁর বাবার মৃত্যুর পর থেকে পারুলরানিদেবী মানসিক অবসাদে ভুগতেন। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে। বৃহস্পতিবার ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরে পুলিশ জানিয়েছে, পারুলদেবী আত্মহত্যাই করেছেন। তবে সঞ্জয়বাবুর প্রতিবেশীদের অভিযোগ, বছর তিনেক আগে স্বামী অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক বাদলকুমার নন্দীর মৃত্যুর পর থেকেই ছেলের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল না পারুলদেবীর। তাঁর খোঁজ খবর রাখতেন মেয়েরাই। এ দিনও বড় মেয়ে ফোনে যোগযোগ করতে পারেননি বলেই জানা যায় পারুলদেবীর মৃত্যুর খবর। ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, “পারুলদেবীর সঙ্গে ছেলে-বৌমার প্রায়ই অশান্তি হত বলে পড়শিরা জানিয়েছেন। দু’দিন আগেও বৃদ্ধাকে নিয়ে তুমুল অশান্তি হয়েছিল। তারপর এই আত্মহত্যা। আমরা সবদিক খতিয়ে দেখছি।” ‘সুচেতনা’র সম্পাদিকা সমাজকর্মী স্বাতী দত্ত বলেন, “ওই বৃদ্ধা পারিবারিক হিংসার শিকার কি-না তা পুলিশের তদন্ত করে দেখা উচিত। ঘটনার পিছনে কোনও প্ররোচনা ছিল কি-না তা পুলিশ সুয়োমোটো তদন্ত করে দেখতেই পারে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement