বিক্ষোভের ডাক

ক্ষতিগ্রস্ত আলু চাষিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে শহরের প্রবেশ পথগুলোয় অবস্থান-বিক্ষোভের ডাক দিল বামপন্থী কৃষক সংগঠনগুলো। আগামী ২ জুন মেদিনীপুর শহরের চার জায়গায় এই কর্মসূচি হবে বলে জানান নেতৃত্ব। বামপন্থী কৃষক সংগঠনগুলোর পক্ষে হরেকৃষ্ণ সামন্ত বলেন, “গোটা দেশেই সঙ্কট চলছে। আমাদের রাজ্যে সঙ্কট আরও গভীরে গিয়ে পৌঁছেছে। চাষিরা ফসলের দাম না পেয়ে আত্মহত্যা করছেন। অথচ, সরকার আত্মহত্যা বলে মনেই করছে না।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ মে ২০১৫ ০০:৫০
Share:

ক্ষতিগ্রস্ত আলু চাষিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে শহরের প্রবেশ পথগুলোয় অবস্থান-বিক্ষোভের ডাক দিল বামপন্থী কৃষক সংগঠনগুলো। আগামী ২ জুন মেদিনীপুর শহরের চার জায়গায় এই কর্মসূচি হবে বলে জানান নেতৃত্ব। বামপন্থী কৃষক সংগঠনগুলোর পক্ষে হরেকৃষ্ণ সামন্ত বলেন, “গোটা দেশেই সঙ্কট চলছে। আমাদের রাজ্যে সঙ্কট আরও গভীরে গিয়ে পৌঁছেছে। চাষিরা ফসলের দাম না পেয়ে আত্মহত্যা করছেন। অথচ, সরকার আত্মহত্যা বলে মনেই করছে না।” তাঁর মন্তব্য, “এর প্রতিবাদেই কর্মসূচি। ওই দিন জেলা সদরক অবরুদ্ধ হবে।”

Advertisement

শুক্রবার মেদিনীপুরের কৃষক ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠক থেকে এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয়। অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডহরেশ্বর সেন, অশোক সেন প্রমুখ। মোহনপুর, ধর্মা, আবাস এবং রাঙামাটি, শহরের এই চারটি প্রবেশ পথে অবস্থান- বিক্ষোভ হবে। বাম কৃষক নেতৃত্বের বক্তব্য, আত্মহত্যাকারি আলু চাষি পরিবারগুলোকে ১ লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়া উচিত। ক্ষতিগ্রস্ত আলু চাষিদেরও বিঘা প্রতি কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত। অবিলম্বে প্রত্যেক গ্রাম পঞ্চায়েতে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চালু করে সহায়ক মূল্যে ধান কেনার ব্যবস্থা করা দরকার। হরেকৃষ্ণবাবু বলেন, “চাষিদের কাছ থেকে সহায়ক মূল্যে ধান কেনা হয়নি। অন্তত আমরা দেখতে পাইনি।” একশো দিনের কাজের বকেয়া মজুরি অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ারও দাবি জানান নেতৃত্ব।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement