শ্রীনুকে সতর্কবার্তা, জল্পনা খড়্গপুরে

দলীয় কার্যালয় উদ্বোধনে গিয়ে বিতর্কে জড়ালেন তৃণমূলের শহর সভাপতি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খড়্গপুরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সেটলমেন্টে ওয়ার্ড কমিটি কার্যালয়ের উদ্বোধন হয়। কাউন্সিলর পূজা নায়ডুর আয়োজনে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুরপ্রধান প্রদীপ সরকার, তৃণমূলের শহর সভাপতি দেবাশিস চৌধুরী প্রমুখ।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০১৬ ০০:৫৭
Share:

দলীয় কার্যালয় উদ্বোধনে গিয়ে বিতর্কে জড়ালেন তৃণমূলের শহর সভাপতি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খড়্গপুরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সেটলমেন্টে ওয়ার্ড কমিটি কার্যালয়ের উদ্বোধন হয়। কাউন্সিলর পূজা নায়ডুর আয়োজনে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুরপ্রধান প্রদীপ সরকার, তৃণমূলের শহর সভাপতি দেবাশিস চৌধুরী প্রমুখ। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পূজার স্বামী শ্রীনু নায়ডুর নাম করে দেবাশিসবাবু বলেন, ‘‘অনেক ভদ্র মানুষ থানায় না গিয়ে সমস্যা নিয়ে তাঁদের কাছে আসেন যাঁদের কাছে পেশী শক্তি রয়েছে। প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে ভদ্র মানুষ চলে যান। বদনামটা রয়ে যায়।’’

Advertisement

শহরে রেলমাফিয়া হিসেবে শ্রীনু নায়ডু পরিচিত নাম। তাই শ্রীনুকে নিয়ে দেবাশিস চৌধুরীর মন্তব্যে জল্পনা তৈরি হয়েছে। শ্রীনুর দাবি, একসময়ে দেবাশিস চৌধুরীর হয়ে সে নানা কাজ করেছে। অবশ্য সে কথা কখনও স্বীকার করেনি দেবাশিসবাবু। ইদানীং শ্রীনুকে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের নানা কাজে। কিছুদিন আগেই মেদিনীপুরে দলের লেবার সেলের অনুষ্ঠানে গিয়েছিল শ্রীনুকে। গত পুরভোটে বিজেপি-র টিকিটে জিতে তৃণমূলে যোগ দেন শ্রীনুর স্ত্রী পূজা। ফলে শ্রীনু সম্পর্কে তৃণমূল শহর সভাপতির মন্তব্য ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদিও দেবাশিসবাবুর দাবি, “আমার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে জেনেই আমি মন্তব্য করেছি। আমার কাছে দলের পবিত্রতা বড় কথা সেটা বুঝিয়ে দিয়েছি। তাই বলেছি, দলে থাকলে মাথায় রাখতে হবে দলের কর্মসূচি ছাড়া অন্য কাজে নিজেদের লিপ্ত করব না।” যদিও শ্রীনুর কথায়, “কারও থেকে আমায় রাজনীতি শিখতে হবে না। মানুষের জন্য আমি কাজ করি।
ভবিষ্যতেও করব।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement