SIR in West Bengal

শুনানিতে ডাক পড়ল বিধায়ক হুমায়ুনের, প্রাক্তন আইপিএসের নাম ছিল না ২০০২-এর ভোটার তালিকায়

এসআইআর প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন, ‘‘ফর্ম জমা দেওয়ার সময়েই সমস্ত নথি দিয়েছিলাম। পাসপোর্টের তথ্য পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল। তা সত্বেও ডেকে পাঠিয়েছে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:৩৫
Share:

হুমায়ুন কবীর। — ফাইল চিত্র।

এ বার এসআইআর শুনানিতে ডাক পেলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরার বিধায়ক তথা প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম না থাকার কারণেই তাঁকে তলব করা হয়েছিল। শুক্রবার হাজিরা দিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় গিয়েছিলেন তিনি। শুনানিকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে কটাক্ষ করেন বিধায়ক।

Advertisement

২০০২ সালের তালিকায় হুমায়ুনের নাম নেই। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, ১৯৯০ সালে পুলিশ আধিকারিক হিসাবে কাজে যোগ দেন তিনি। তার পর থেকে একাধিক জেলায় পুলিশ আধিকারিকের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ২০০১ সালের শেষের দিক থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি রাষ্ট্রপুঞ্জের ডেপুটেশনে ইউরোপে গিয়েছিলেন। এই কারণেই ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম তোলা সম্ভব হয়নি। এই কারণের পাশাপাশি হুমায়ুনের সঙ্গে তাঁর বাবার ম্যাপিং না থাকার কারণেও শুনানিতে আসতে বলা হয়েছিল।

এসআইআর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘ফর্ম জমা দেওয়ার সময়েই সমস্ত নথি দিয়েছিলাম। পাসপোর্টের তথ্য পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল। তা সত্বেও ডেকে পাঠিয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমার সমস্ত নথি ডিজিটাইজড। পুলিশে চাকরির সুবাদে সমস্ত তথ্য রয়েছে তার মধ্যেই।’’ হুমায়ন জানান, পিপিও জমা নেওয়ার পরে স্বস্তি পেয়েছেন তিনি।

Advertisement

শুনানিতে হাজিরা দিতে যাওয়ার আগে সমাজমাধ্যমে হুমায়ুন লেখেন, ‘আমি এসআইআরের হিয়ারিং নোটিস পেলাম। আজ আমাকে যেতে হবে ডিপিএস, রুবি পার্ক স্কুলে। আমার ভোটারকার্ড, প্যান এবং পাসপোর্ট-ও যথেষ্ট মনে হয়নি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ইসিআই), কারণ আমার নাম ২০০২ সালে ভোটার তালিকায় ছিল না। আমি ওই সময় বিদেশ মন্ত্রকের নির্দেশ অনুসারে রাষ্ট্রপুঞ্জের ডেপুটেশনে ইউরোপে কাজ করছিলাম, আমার ডিপ্লোমেটিক পাসপোর্ট কপিও আছে।’ আরও লেখেন, ‘জয়তু জাতীয় নির্বাচন কমিশন কী উপহাস! শেষ পর্যন্ত আমার আইপিএস নিয়োগপত্র এবং পিপিও দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারি কি না দেখি।’ তাঁর আরও কটাক্ষ, ‘ক্যায়া ক্যাহনা , ইসিআই তুঝে সেলাম।’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement