—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
ভোটের ময়দানে ফেরিঘাট এখন বিরোধীদের হাতে বড় অস্ত্র ডোমকলে। কেবল বিরোধী নয়, শাসকের একাংশ ওই ঘাট নিয়ে নানা অভিযোগ তুলছে পঞ্চায়েত সমিতির বিরুদ্ধে।
বিরোধীদের দাবি, ডোমকল ব্লকের ১৯টি ফেরিঘাটে সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা হচ্ছে। অথচ সেই টাকা সরকারি কোষাগারে যাচ্ছে না। ঢুকছে শাসকদলের কিছু নেতাদের পকেটে। সেই টাকার ভাগ না পেয়ে দলেরই একাংশ ক্ষুব্ধ বলেও অভিযোগ দলের একাংশের। তাঁদের দাবি, পরিবার তন্ত্রের মাধ্যমে ঘাটের টাকা তোলা হচ্ছে। এর ফলে ভোটের মাঠে ক্ষতি হচ্ছে তাঁদের। অন্যদিকে ঘাটের দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সোমবার কংগ্রেস স্মারকলিপি দিয়েছে ডোমকলের বিডিও শঙ্খদীপ দাসের কাছে।
কংগ্রেসের ডোমকলের পর্যবেক্ষক শাহানাজ বেগমের নেতৃত্বে সোমবার ওই স্মারকলিপি দেওয়া হয় ব্লক প্রশাসনের কাছে।
শাহনাজের দাবি, ‘‘দীর্ঘ দিন ধরেই ফেরিঘাটের টাকা লুটেপুটে খাচ্ছে শাসক দলের নেতারা। সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে ঘাট থেকে চলছে তোলাবাজি। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলে নিজেদের পকেটে ঢোকাচ্ছে তারা। সাধারণ মানুষ তাদের ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না।’’ কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, তাঁরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন, এর পরে ব্যবস্থা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবে তাঁরা। ফলে খুব স্বাভাবিক ভাবেই শাসক দল বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ঘাট নিয়ে চাপে।
অন্য বিরোধী রাজনৈতিক দল সিপিএমের ডোমকল এরিয়া কমিটির সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘‘সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা না করে লম্বা সময় ধরে তোলাবাজি চলছে ডোমকলের ১৯ টি ফেরিঘাট থেকে। আমরা এর আগে অনেক বার বলেছি প্রশাসনকে, কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি।"
শাসকদলের নেতাদের একাংশও বিব্রত ওই ঘটনায়। তাদের দাবি, এই ঘটনা আগামী বিধানসভা নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে।
যদিও ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তৃণমূলের সাহানা বিশ্বাস বলেন, ‘‘ঘাটের বিষয়টি আদালতে গড়ানোর ফলে টেন্ডার প্রক্রিয়া এত দিন করা যায়নি। খুব কম সময়ের মধ্যেই ওই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’’ ডোমকলের বিডিও শঙ্খদীপ দাস বলেন, ‘‘কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটা স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে