Coronavirus

নিভৃতাবাসে খাবারের দাবি

অভিযোগ তুলে এবং নিভৃতাবাসের শ্রমিকদের প্রসাসনের তরফে খাবার দেওয়ার দাবিতে চাকদহ থানার হিংনারা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছে বিজেপি।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২০ ০৩:৩৬
Share:

প্রতীকী ছবি

এলাকার নিভৃতবাস কেন্দ্রে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের সরকারি ভাবে খাবার দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসতে হচ্ছে। এতে তাঁদের অনেকেকেই সমস্যায় পড়ছেন। গ্রামে সংক্রমণ ছড়ানোরও আশঙ্কা থাকছে অনেকাংশে। কারণ বহু নিভৃতাবাসে নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যত নেই। তাই বাড়ির লোক একেবারে ভিতরে ঢুকে খাবার গিয়ে আসছেন।

Advertisement

এই অভিযোগ তুলে এবং নিভৃতাবাসের শ্রমিকদের প্রসাসনের তরফে খাবার দেওয়ার দাবিতে চাকদহ থানার হিংনারা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছে বিজেপি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে তারা মিছিল, পথসভাও করছে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে হিংনারা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান তৃনমূলের মাধবী বিশ্বাস শনিবার বলেন, “আমাদের নিজস্ব তহবিল খুব দুর্বল। তাতে খুব বেশি টাকা নেই। সেখান থেকে টাকা খরচ করে নিভৃতাবাসের বাসিন্দাদের খাবার দেওয়ার সামর্থ আমাদের নেই। তা ছাড়া, ওঁদের খাবার দেওয়ার কোনও নির্দেশও আমাদের কাছে সরকারি তরফে আসেনি।” তাঁর কথায়, “আমি যতদূর শুনেছি, সেন্টারে থাকতে ওঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে না। বাড়ির লোকেরা খাবার নিয়ে আসছেন। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাও পাশে দাঁড়িয়েছে।”

Advertisement

পঞ্চায়েত ও স্থানীয় সূত্রের খবর, পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য বল্লভপুর স্কুলে প্রধান কোয়রান্টিন সেন্টার খোলা হয়েছে। এ ছাড়াও, বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সেন্টার হয়েছে। মহারাষ্ট্র, দিল্লি, কেরলের মতো বিভিন্ন জায়গা থেকে শ্রমিকেরা এসে সেখানে আশ্রয় নিয়েছে। সব মিলিয়ে তাঁদের সংখ্যা এখন একশোর বেশি। বল্লভপুর নিভৃতাবাসের এক শ্রমিক বলেন, “এখানে খাবারের ব্যবস্থা করতে পারলে ভাল হয়। তা না হওয়ায় বাড়ির লোকের সমস্যা হচ্ছে। এখানে ঝুঁকি নিয়ে আসতে হচ্ছে। তার উপর কাজকর্ম চলে যাওয়ায় টাকা পয়সাও নেই। রোজ খাবার তৈরি করাও সমস্যার।”

বিজেপি ৪৩ নম্বর জেড পি সভাপতি অশোক বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় বিশ্বাস, সম্পাদক জুয়েল মল্লিকদের মতে, ‘‘লকডাউনে সব হারিয়ে তাঁরা এলাকায় ফিরে এসেছেন। কিন্তু পঞ্চায়েত ওঁদের খাবার দিচ্ছে না। আমরা ওঁদের খাবার দেওয়ার জন্য পঞ্চায়েতের কাছে দাবি জানাছি।” প্রসঙ্গত, একেবারে প্রথম দিকে নিভৃতাবাসে সরকারি তরফে খাবার দেওয়া হত। কিন্তু বিভিন্ন কেন্দ্রে খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ ওঠা ও বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement