পানায় পথ-হারা জলঙ্গি দেখতে ভিড়। সুদীপ ভট্টাচার্যের তোলা ছবি।
সেতু নেই। তবুও নদীর উপর দিয়ে দিব্যি হেঁটে চলে বেড়ানো যাচ্ছে।
তবে সরাসরি জলের উপর নয়। নদীর বুকে রাতারাতি জমা কচুরিপানাই এখানে সেতু গড়ে দিয়েছে নদীর দু’পাড়ে।
কস্মিনকালে এ দৃশ্য দেখেনি চাপড়ার তালুকহুদা ও তার আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারা। ফলে শনিবার সকাল থেকেই জলঙ্গির পাড়ে জমেছে ভিড়।
বসে গিয়েছে ঝালমুড়ি, সস্তার আইসক্রিম। আর সকাল থেকে ভিড় করা জনতাকে সামাল দিতে লাঠি হাতে এ দিক ও দিক ছুটতে হচ্ছে পুলিশকে।
নদিয়ার অধিকাংশ এলাকায় জলঙ্গি দীর্ঘ দিন ধরেই স্রোতহারা। তার উপর নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছের ভেড়ি তৈরি হয়েছে। ফলে নদীর বুকে অনেক জায়গায় কচুরিপানা জমছিল বপেশ কিছু দিন ধরেই। দিন কয়েক আগে টানা বৃষ্টির জেরে নদীতে জল বাড়ে। স্রোতে প্রচুর কচুরিপানা তালুকহুদার বাঁকে এসে জমেছে। তার জেরেই এই প্রাকৃতিক সেতু।
চাপড়ার তালুকহুদায় জলঙ্গির অন্য পাড়ে নাকাশিপাড়ার সুখসাগর গ্রাম। শনিবার দুপুরে দেখা গেল প্রায় হাজারখানেক মানুষ দু’পাড়ে ভিড় জমিয়েছেন।
নদিয়ার এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয়কুমার সিংহ বলছেন ‘‘এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। হঠাৎ জল বেড়ে যাওয়ায় প্রচুর কচুরিপানা একটি বাঁকে এসে জমা হয়েছে। জল আর একটু বাড়লেই, নদী স্রোত ফিরে পেলেই কচুরিপানা চলে যাবে।’’