এটাই ‘গড়’, মনে করাচ্ছেন অধীর

নির্বাচনের মুখে দলবদলের হিড়িক পড়ে গিয়েছে কংগ্রেসের গড় মুর্শিদাবাদে। তবে দলত্যাগীদের ‘ক্রীতদাস’ হিসেবেই তৃণমূলে থাকতে হবে বলে মনে করছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০১৬ ০৩:১৬
Share:

নির্বাচনের মুখে দলবদলের হিড়িক পড়ে গিয়েছে কংগ্রেসের গড় মুর্শিদাবাদে। তবে দলত্যাগীদের ‘ক্রীতদাস’ হিসেবেই তৃণমূলে থাকতে হবে বলে মনে করছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।

Advertisement

এ দিন কান্দিতে এক সভায় অধীর বলছেন, ‘‘যাঁরা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছে, মনে রাখবেন তাঁরা সকলেই কংগ্রেসের এঁঠো খাবার। যাঁরা ওই পথে পা বাড়াচ্ছেন, তারা তৃণমূলে কৃতদাস হয়ে যাচ্ছেন।’’

দিন কয়েক আগে, তৃণমূলের মুর্শিদাবাদ জেলা পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী মুর্শিদাবাদ আদৌ আর কংগ্রেসের গড় রয়েছে কিনা, প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন তা নিয়েই। এ দিন, ভরতপুরের জজান ও কান্দি পুরসভা এলাকায় কংগ্রেসের কর্মী সভায় তারই উত্তর মিলল অধীরের কথায়— ‘‘মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের জেলা। আগামী বিধানসভা ভোটে মুর্শিদাবাদ জেলায় তৃণমূল একটি আসন পাওয়া তো দূর অস্থ জামানত ধরে রাখতে পারে কিনা সন্দেহ আছে।” অধীরবাবুর কথায় জেলা পরিষদ কংগ্রেসের দখলে রয়েছে বলেই ইচ্ছাকৃত ভাবে সেখানে বরাদ্দে দাঁড়ি টেনেছে সরকার। জেলা পরিষদে উন্নয়নের পাওনা টাকা তাই থমকে রয়েছে।

Advertisement

তবে, এ দিন অধীরের মুখে তৃণমূলে পা বাড়ানো, রেজিনগরের প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর সম্পর্কে কিঞ্চিৎ প্রশংসাও শোনা গিয়েছে। অধীরের কথায়, ‘‘হুমায়ুন ইমানদার। ও তো তা-ও দলবদলের পরে উপ নির্বাচনে লড়ার সাহস দেখিয়েছিল।’’ যা হুমায়ুনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও কৌতূহল তৈরি করেছে। শিক্ষক সম্মেলন। কংগ্রেস প্রভাবিত শিক্ষক সংগঠন ডব্লিউবিটিএ- র ৩১তম দ্বিবার্ষিক জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল। বহরমপুরে আইসিআই স্কুলে গত রবিবার ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে হাজির ছিলেন জেলার তিন কংগ্রেস বিধায়ক —মহম্মদ সহরব, মনোজ চক্রবর্তী ও ফিরোজা বেগম।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement