সংস্কারের দাবিতে জাতীয় সড়ক অবরোধ চলছেই

ফরাক্কায় ৮০ নম্বর জাতীয় সড়কে অবরোধ তুলতে ব্যর্থ হল প্রশাসন। সোমবার সকাল থেকে সড়ক সংস্কারের দাবিতে নিশিন্দ্রা গ্রামের কাছে রীতিমতো বাঁশের খুঁটি পুঁতে, টেন্ট করে মাইক লাগিয়ে সড়ক অবরোধ শুরু হলেও প্রশাসনের টনক নড়েনি। ওই দিন এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাননি ফরাক্কার বিডিও। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করতে ফরাক্কা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মামনী হালদারকে সঙ্গে নিয়ে বিডিও সুব্রত চক্রবর্তী অবরোধস্থলে যান।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ জুলাই ২০১৫ ০১:০৪
Share:

ফরাক্কায় ৮০ নম্বর জাতীয় সড়কে অবরোধ তুলতে ব্যর্থ হল প্রশাসন।

Advertisement

সোমবার সকাল থেকে সড়ক সংস্কারের দাবিতে নিশিন্দ্রা গ্রামের কাছে রীতিমতো বাঁশের খুঁটি পুঁতে, টেন্ট করে মাইক লাগিয়ে সড়ক অবরোধ শুরু হলেও প্রশাসনের টনক নড়েনি। ওই দিন এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাননি ফরাক্কার বিডিও।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করতে ফরাক্কা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মামনী হালদারকে সঙ্গে নিয়ে বিডিও সুব্রত চক্রবর্তী অবরোধস্থলে যান। ঘণ্টা দুই পরে সেখানে পৌঁছন ফরাক্কা ব্যারাজের জেনারেল ম্যানেজার সৌমিত্রকুমার হালদার।

Advertisement

দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পরেও সমাধান সূত্র মেলেনি। অবরোধ তুলতে অনড় থাকেন গ্রামবাসী। ঠিক হয় ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার বিডিও অফিসে গ্রামবাসীর সঙ্গে রাস্তা সংস্কার নিয়ে আলোচনায় বসবেন প্রশাসনিক কর্তারা। গ্রামবাসীদের তরফে ২০ জন প্রতিনিধি সেখানে থাকবেন। বিডিও এরপরে অবরোধ তুলে নিতে অনুরোধ করেন। গ্রামবাসী সাফ জানিয়ে দেন, ২৩ জুলাইয়ের আলোচনার পরেই অবরোধ তোলা হবে। তার আগে নয়।

বিহারের মোকামা থেকে শুরু হয়ে মুঙ্গের, সাহেবগঞ্জ, বারহারোয়া হয়ে ফরাক্কায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে মিশেছে ৮০ নম্বর জাতীয় সড়কটি। ১৯৯৯ সালের ৬ জানুয়ারি এই সড়ক পথটিকে জাতীয় সড়ক ৮০ হিসেবে ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। ৩১০ কিলোমিটার দীর্ঘ দুই লেনের এই সড়ক পথের মাত্র ১০ কিলোমিটার অংশ রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে।

Advertisement

সড়কের ৩০০ কিলোমিটার সংস্কারের কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ফরাক্কার বেওয়া থেকে শঙ্করপুর পর্যন্ত সড়কের কাজ এখনও শুরু করা হয়নি। তার জেরে এই ১০ কিলোমিটার সড়ক পথে খানাখন্দ এখন ডোবার আকার নিয়েছে। প্রতিদিনই এই পথে দুর্ঘটনায় পড়ছে একাধিক যান।

ঝাড়খণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র পথ এই সড়কটি। ফরাক্কার বেওয়া, ধর্মডাঙা, ঘোড়াইপাড়া, শঙ্করপুর, নিশিন্দ্রা-সহ ১২টি গ্রামের বাসিন্দারা এর ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন। অবরোধ চলতে থাকায় পাথর বোঝাই কয়েক’শো লরি দাঁড়িয়ে রয়েছে ঝাড়খণ্ডের সীমানায়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement