Jal Jeevan Mission

জল জীবন মিশনে কেন্দ্রের নতুন তিন শর্ত, পূরণ না হলে পুরো খরচ বহন করতে হবে রাজ্যকেই

নতুন শর্ত জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্র জানিয়ে দিয়েছে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলেই প্রকল্পে কেন্দ্রের অংশের অর্থ রাজ্য পাবে। অন্যথায় প্রকল্পের সম্পূর্ণ ব্যয়ভার রাজ্য সরকারকেই বহন করতে হবে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৬ ১৩:১৮
Share:

(বাঁ দিকে) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে চালু হওয়া জল জীবন মিশন প্রকল্পে এ বার রাজ্যগুলির জন্য নতুন শর্ত জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্র জানিয়ে দিয়েছে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলেই প্রকল্পে কেন্দ্রের অংশের অর্থ রাজ্য পাবে। অন্যথায় প্রকল্পের সম্পূর্ণ ব্যয়ভার রাজ্য সরকারকেই বহন করতে হবে। এই নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই রাজ্যের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত পদক্ষেপ করার কথাও বলা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

Advertisement

কেন্দ্র মূলত তিনটি শর্তের কথা উল্লেখ করেছে। প্রথমত, রাজ্যকে একটি স্পষ্ট রক্ষণাবেক্ষণ নীতি তৈরি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবায়ন নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে একটি সমঝোতাপত্র বা মউ স্বাক্ষর করতে হবে। তৃতীয়ত, প্রতিটি প্রকল্প আলাদা করে চিহ্নিত করতে আইডি নম্বর তৈরি করে সেই অনুযায়ী খরচের বিস্তারিত হিসাব কেন্দ্রকে জমা দিতে হবে। এই তিনটি শর্ত পূরণ হলেই কেন্দ্রের তরফে অর্থ ছাড়ার প্রক্রিয়া এগোবে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে জল জীবন মিশন প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার প্রায় এক বছর পর, চলতি বছরের মার্চের শুরুতে দ্বিতীয় পর্যায়ের এই প্রকল্পের প্রশাসনিক ও আর্থিক অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। এরপরই রাজ্যগুলির উদ্দেশে এই নতুন শর্তাবলি পাঠানো হয়েছে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের অগস্ট মাসে শেষবারের মতো এই প্রকল্পে রাজ্যকে অর্থ দিয়েছিল কেন্দ্র। বর্তমানে কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা পাওনা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। জল জীবন মিশন প্রকল্পে সাধারণত মোট খরচের ৫০ শতাংশ বহন করে কেন্দ্র এবং বাকি অংশ দেয় রাজ্য সরকার। তবে প্রকল্প চালুর সময় থেকেই একটি শর্ত ছিল—রক্ষণাবেক্ষণের খরচ রাজ্যকেই বহন করতে হবে। জমি, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য পরিচালন ব্যয়ও রাজ্যের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। ফলে নতুন করে রক্ষণাবেক্ষণ নীতি তৈরির নির্দেশ ঘিরে প্রশাসনিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, এই নীতি তৈরি হলে ভবিষ্যতে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাঠামো আরও স্পষ্ট হতে পারে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement