—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্কে উদ্ধার চিতাবাঘ ‘সুইটি’র কঙ্কালসার দেহ। লেপার্ড সাফারির এনক্লোজ়ার থেকে ওই দেহ মিলেছে। কী কারণে এমন পরিণতি, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
২০২৩ সালে কার্শিয়াং ডিভিশনের ঘোষপুকুর রেঞ্জের একটি বাগানে মায়ের মৃতদেহের পাশ থেকে মৃতপ্রায় শাবককে উদ্ধার করেছিলেন বনকর্মীরা। তার পর প্রায় ৪৪ কিলোমিটার পথ উজিয়ে শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারির পশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাকে। দু’দিনের অনাথ চিতাবাঘের ছানা ফিরে আসে মৃত্যুর মুখ থেকে। ‘সুইটি’র এই আখ্যান প্রকাশিত হয় ইন্ট্যারন্যাশনাল জার্নাল অফ ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল হাজবেন্ড্রিতে। এ হেন চিতাবাঘের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শোরগোল শুরু হয়েছে।
শনিবার বেঙ্গল সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষের তরফে এক জন জানান, ‘সুইটি’কে সুস্থ করে তুলতে দিনরাত এক করেছিলেন তাঁরা। মেডিক্যাল দল গঠন করে চিকিৎসা হয় তার। তার পর সাফারিতে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে সে। বড় হওয়ার পর লেপার্ড সাফারিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল ‘সুইটি’কে। নিয়ম করে ক্রল থেকে এনক্লোজারে ছেড়ে দেওয়া হত তাকে। সময়মতো ক্রলে ফিরেও আসত সে।
প্রতি দিন এনক্লোজারে ঘুরে বেড়াত ‘সুইটি।’ মাসখানেক হল তার খোঁজ মিলছিল না। বনকর্মীরা খোঁজ চালিয়েছেন। কিন্তু হদিস মেলেনি চিতাবাঘটির। শনিবার তার কঙ্কালসার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় সাফারি পার্কের ডিরেক্টর বিশেষ কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তিনি শুধু বলেন, ‘‘পেট্রোলিংয়ের সময় কঙ্কালসার দেহ উদ্ধার হয়েছে। এনক্লোজারেই ছিল ও। মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।’’