Coronavirus

কোভিড হাসপাতালে আর এক মৃত্যু, সংশয়

এ দিন শিলিগুড়িতে নতুন করে ২০ জনের শরীরে সংক্রমণ মিলল। এর আগে যে তিন জন মারা গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে একজন কালিম্পঙের মহিলা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ জুন ২০২০ ০৬:৩৯
Share:

প্রতীকী ছবি।

কোচবিহারের পেস্টারঝাড় থেকে চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন ৬০ বছরের এক ব্যক্তি। ৩১ মে পরীক্ষায় তাঁর দেহে সংক্রমণের প্রাথমিক ইঙ্গিত মেলে। ভর্তি করা হয় শিলিগুড়ির কোভিড হাসপাতালে। মঙ্গলবার বিকেলে মৃত্যু হয় সেই ব্যক্তির। মাটিগাড়ার কোভিড হাসপাতালের তরফে এ কথা জানানো হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর গ্লাসগো কোমা স্কেল (জিসিএস) দুর্বল ছিল, অর্থাৎ হুঁশ বিশেষ ছিল না। পরে অবশ্য জেলাশাসক এস পুন্নম বলম দাবি করেন, ‘‘৭ জুন তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। তবে শারীরিক অবস্থা ভাল না থাকায় ছুটি দেওয়া যায়নি।’’

Advertisement

এ দিন শিলিগুড়িতে নতুন করে ২০ জনের শরীরে সংক্রমণ মিলল। এর আগে যে তিন জন মারা গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে একজন কালিম্পঙের মহিলা। বাকি দু’জন শিলিগুড়ির। একজন ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ কলোনির বাসিন্দা রেলকর্মী। তাঁর অন্য রোগও ছিল। অন্য জন বাঘা যতীন কলোনির বাসিন্দা প্রবীণ এক গানের শিক্ষক।

এ দিন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে নতুন করে দুই নার্স, এক জন ইন্টার্ন, একজন গাড়ির চালক আক্রান্ত হয়েছেন। তাতে উদ্বেগ বেড়েছে। কেন না, এখন পর্যন্ত ওই হাসপাতালের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের সংক্রমণের জেরে তাঁদের সংস্পর্শে আসা ৩৫ জন চিকিৎসক এবং বেশ কয়েক জন নার্সকে কোয়রান্টিনে পাঠানো হয়েছে। এ দিন আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা শুরু হয়েছে। করোনা আক্রান্ত এক চিকিৎসক কোভিড হাসপাতালে না গিয়ে কোয়ার্টার্সে থাকায় তা নিয়ে স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের একাংশ আতঙ্কিত। তাঁরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও সোমবার বিষয়টি জানিয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নেবেন বলে জানান।

Advertisement

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ির নকশালবাড়িতে ছ’জনের শরীরে নতুন করে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। তাঁরা হাতিঘিষা কোয়রান্টিনে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন চিকিৎসকের স্ত্রী রয়েছেন। সম্প্রতি অটল চা বাগানের এক প্রসূতি এবং তাঁর পরিবারের আরও দু’জন করোনা আক্রান্ত হন। ওই প্রসূতি নকশালবাড়ি হাসপাতালে গেলে যে চিকিৎসক তাঁকে পরীক্ষা করেছিলেন, তাঁর পরিবারকেও কোয়রান্টিনে নেওয়া হয়। ওই চিকিৎসকের রিপোর্ট আগে নেগেটিভ এলেও তাঁর স্ত্রীর লালা রিপোর্ট পজ়িটিভ হয়েছে। তা ছাড়া দু’জন আশা কর্মী এবং এক জন চা বাগানের স্বাস্থ্যকর্মী। তাঁদের লালারস ২০ মে নেওয়া হয়েছিল। এত দিনে রিপোর্ট মেলে। তাই ফের তাঁদের লালারস পাঠানো হচ্ছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement