টুকরো খবর

খারাপ রাস্তার জেরে হাসপাতাল পৌঁছনোর আগে মাতৃযানেই প্রসবের ঘটনা ঘটল ডুয়ার্সে। সোমবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ডুয়ার্সের মালবাজার ব্লকের নিদাম চা বাগানে। বাগানেরই অস্থায়ী চা শ্রমিক অমিত ওঁরাওয়ের স্ত্রী আশা ওঁরাওয়ের বাগানের ভাঙা রাস্তার ঝাঁকুনিতে গাড়ির মধ্যেই প্রসব হয়ে যায় বলে অভিযোগ।

Advertisement
শেষ আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৫১
Share:

খারাপ রাস্তা, মাতৃযানেই প্রসব ডুয়ার্সে
নিজস্ব সংবাদদাতা • মালবাজার

Advertisement

খারাপ রাস্তার জেরে হাসপাতাল পৌঁছনোর আগে মাতৃযানেই প্রসবের ঘটনা ঘটল ডুয়ার্সে। সোমবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ডুয়ার্সের মালবাজার ব্লকের নিদাম চা বাগানে। বাগানেরই অস্থায়ী চা শ্রমিক অমিত ওঁরাওয়ের স্ত্রী আশা ওঁরাওয়ের বাগানের ভাঙা রাস্তার ঝাঁকুনিতে গাড়ির মধ্যেই প্রসব হয়ে যায় বলে অভিযোগ। তবে মা এবং সদ্যোজাত শিশুটি সুস্থ রয়েছে। চা বাগান থেকে ৬ কিলোমিটার দূরের মালবাজার হাসপাতালে নিয়ে আসার জন্যে অমিত ওঁরাও মাতৃযানের অ্যাম্বুল্যান্স চেয়ে ফোন করেছিলেন। সময় মত অ্যাম্বুল্যান্স এলেও এবড়োখেবড়ো রাস্তায় চা বাগানের ভেতরেই প্রসব হয়ে যায়। এই খবরের জেরে নিদাম চা বাগানের বাসিন্দাদের মধ্যে দ্রুত রাস্তা নির্মানের দাবিও ওঠে। মালবাজারের মহকুমাশাসক জ্যোতির্ময় তাঁতি রাস্তা নির্মাণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে বলে জানান।

Advertisement

জলে ডুবে মৃত্যু
নিজস্ব সংবাদদাতা • ফালাকাটা

ছেলেকে কাঁধে চাপিয়ে নদী পেরোতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হল এক সব্জি ব্যবসায়ীর। মঙ্গলবার বিকেলে ফালাকাটার দক্ষিণ খয়েরবাড়ি লাগোয়া বুড়িতোর্সার ঘটনা। মৃত সেন্টু সরকার (৩৬)। তিনি সাতপুকুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। এ দিন ১০ বছরের ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে মাছ ধরতে তোর্সায় গিয়েছিলেন তিনি। বিকেলে নদী পেরোতে গিয়ে জলে পড়ে যান তিনি। ছেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক স্তরে সুযোগ পেয়েও সমস্যায় ভারোত্তোলক

‘ওয়ার্ল্ড পাওয়ার লিফটিং বেঞ্চ প্রেস চ্যাম্পিয়নশিপে’ যোগ দেওয়ার সুযোগ পেলেও আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন ক্রীড়াবিদ অশোক চক্রবর্তী। মঙ্গলবার তিনি জানান, আগামী ১৭ থেকে ১৯ অক্টোবর আমেরিকার লাস ভেগাসে ভারোত্তোলন প্রতিযোগিতা হবে। তার আগে ১০ অক্টোবর দিল্লিতে ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার জন্য ইন্ডিয়ান পাওয়ার লিফটিং ফেডারেশনের কাছে দেড় লক্ষ টাকা জমা দিতে হবে। এ ছাড়াও আনুষঙ্গিক খরচের জন্য আরও ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। অথচ এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েক জনের সাহায্যে মাত্র ৯০ হাজার টাকা জোগাড় করে উঠতে পেরেছেন অশোকবাবু। উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী গৌতম দেবের দ্বারস্থ হলেও সেখান থেকে সাহায্য মেলেনি বলে তাঁর দাবি। গৌতমবাবু বলেন, “প্রতি বছরই অশোকবাবু এ ধরনের প্রতিযোগিতায় যোগ দেওয়ার কথা বলে আর্থিক সাহায্যের জন্য আসেন। তবে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার তেমন কোনও নথি দেখাতে পারেননি তিনি। তাই এ ভাবে এখনই সাহায্য করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছি। তাঁকে ক্রীড়া দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।” অশোকবাবু জানান, ক্রীড়া দফতরে যোগাযোগ করলে তাঁকে জানানো হয়, তাদের পক্ষে চটজলদি কিছু করা সম্ভব নয়। সময় লাগবে। ইতিমধ্যেই প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য, বিমল গুরুঙ্গ তাঁকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য করেছেন। বিদ্যালয় ক্রীড়া পর্ষদের সভাপতি মদন ভট্টাচার্য ১০ হাজার টাকা, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিধায়ক শঙ্কর মালাকার এবং মহিলা কমিশনের প্রাক্তন সদস্য জ্যোত্‌স্না অগ্রবাল তাঁকে ৫ হাজার টাকা করে সাহায্য করেছেন বলে জানিয়েছেন অশোকবাবু।

অতিরিক্ত পণের দাবি, বধূকে খুনের চেষ্টা

বাপের বাড়ি থেকে গাড়ি কেনার টাকা নিয়ে আসতে পারেনি মেয়েটি। তাই তাঁর গায়ে ফুটন্ত সর্ষের তেল ঢেলে গলায় ফাঁস লাগিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল স্বামী-সহ মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে। গত ১ অক্টোবর ধূপগুড়ির গাদং গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। প্রতিবেশীরা পারভিন বেগম নামে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে ধূপগুড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান। তিন দিন ধরে চিকিত্‌সা চলার পরে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হয়। ৫ অক্টোবর ধূপগুড়ি থানায় স্বামী ফতেমূল আলম-সহ মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন ওই বধূ। অভিযুক্তদের খুঁজছে পুলিশ। ধূপগুড়ির আইসি যুগলচন্দ্র বিশ্বাস জানান, তদন্ত শুরু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর তিনেক আগে ফালাকাটার শালকুমার গ্রাম পঞ্চায়েতের পারভিন বেগমের সঙ্গে ধূপগুড়ির গাদং গ্রামের বাসিন্দা, পেশায় গাড়িচালক ফতেমূল আলমের বিয়ে হয়। তাদের চার বছরের একটি শিশুকন্যাও রয়েছে। গাড়ি কেনার জন্য ফতেমূল এক বছর ধরে কয়েক দফায় স্ত্রীকে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে তিন লক্ষ টাকা আনার জন্য চাপ দেয়। পারভিনের দিনমজুর বাবার অত টাকা দেওয়ার সামর্থ নেই। তা স্বামীকে বলতে তার উপর নিয়মিত নির্যাতন চালাত তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ফতেমূলের পরিবারের লোকজন অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

উদ্ধার ককটেল বোমা

মালদহের যদুপুরের কাটাগড়ে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার জেরে সীমান্ত এলাকায় বাড়তি নজরদারি শুরু করেছে বিএসএফ। এ ছাড়া সীমান্ত এলাকার গ্রামগুলির উপরেও বিএসএফ ও জেলা পুলিশের গোয়েন্দারা যৌথ নজরদারি শুরু করেছেন বলে গোয়েন্দা সূত্রের খবর। পুলিশ সূত্রেই জানা গিয়েছে, কাটাগড়ে বিস্ফোরণের এলাকা থেকে বোমা তৈরির যে সব উপকরণ মিলেছে, তাতে কৌটো ছাড়াও ক্রিকেট বলের খোল মিলেছে। যা ‘মিনি ককটেল বোমা’ নামে পরিচিত। আর ওই ককটেল বোমার জনপ্রিয়তা রয়েছে বাংলাদেশে। কাটাগড় এলাকাটি সীমান্ত থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য ওই বোমা তৈরি হচ্ছিল কি না, তা-ও ভাবাচ্ছে পুলিশ ও গোয়েন্দাদের। মালদহের সীমান্ত এলাকায় বাড়তি এক কোম্পানি জওয়ান মোতায়েন করা হচ্ছে বলে বিএসএফ সূত্রের খবর। মালদহের এসপি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কাটাগড় এলাকায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাকে ছোট করে দেখছি না। বাংলাদেশ সীমান্তের গ্রামগুলির উপর নজরদারি চালাতে বিএসএফের সঙ্গেও বৈঠক হবে। জেলার সীমান্তবর্তী এলাকার থানাগুলিকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।”

ট্যুরিজম হাব দেখলেন মন্ত্রী

গজলডোবা ট্যুরিজম হাবের নির্মাণ কাজ ঘুরে দেখলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। মঙ্গলবার দুপুরে হঠাত্‌ই শিলিগুড়ি থেকে ঝটিকা সফরে গজলডোবায় যান তিনি। জলপাইগুড়ির জেলাশাসক পৃথা সরকার এবং পর্যটন দফতরের কর্তাদের উপস্থিতিতে গজলডোবার হাব তৈরির কাজ ঘুরে দেখেন তিনি। পরে তিনি জানান, গজলডোবার ওই পর্যটন হাবের অগ্রগতি সন্তোষজনক। তিনি বলেন, “২০৮ একর জমিতে তৈরি হওয়া গজলডোবার ট্যুরিজম হাব দেশের মধ্যেও শীর্ষস্থানে থাকবে। বিরাট জলাশয়, সেখানে নৌকা বিহারের সুবিধা, গল্ফ মাঠের মত আন্তর্জাতিক সকল সুবিধাই গজল়ডোবায় তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের হোটেল রিসর্ট যেমন থাকবে, তেমনই মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে হোটেলও থাকবে গজলডোবায়।”

দুর্ঘটনায় মৃত বিএসএফ জওয়ান

বাইক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক বিএসএফ জওয়ানের। মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ বালুরঘাট থানার কৃষ্ণনগর এলাকায় রাজ্য সড়কের উপর দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানায়, মৃতের নাম কে ইশাকিগণেশন (৩৭)। তিনি তপন ব্লকের দোমুঠা ফাঁড়ির বিএসএফের ৮২ নম্বর কোম্পানির জওয়ান ছিলেন। এ দিন সকালে বাইক চালিয়ে তিনি বালুরঘাটে আসছিলেন। রাস্তার বাঁকে এক সাইকেল চালককে ধাক্কা মেরে তিনি পড়ে গিয়ে মাথায় চোট পান বলে পুলিশ জানিয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement