Indian Railways

রেল প্রকল্পে দেরি জমি অধিগ্রহণে, রাজনৈতিক তরজা শুরু

কালিয়াগঞ্জ-বুনিয়াদপুর রেল প্রকল্প প্রায় ৩৩ কিলোমিটারের। তা নিয়ে দেরির অভিযোগে ২০২২ সালে জনস্বার্থ মামলা করেন প্রসূন দাস নামে কালিয়াগঞ্জের এক সমাজকর্মী।

শান্তশ্রী মজুমদার

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫০
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

কালিয়াগঞ্জ-বুনিয়াদপুর রেল প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের কাজে দেরি হচ্ছে বলে ক’দিন আগেই সংসদে অভিযোগ তুলেছিলেন রেলমন্ত্রী। এ বার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুললেন ওই প্রকল্প নিয়ে চলা মামলার আইনজীবী কল্যাণকুমার চক্রবর্তী। বিষয়টি নিয়ে ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপান-উতোর শুরু হয়েছে। কারণ, দেরির জন্য প্রায় ২২২ কোটি টাকার প্রকল্পের খরচ বেড়ে প্রায় এক হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে বলে অভিযোগ।

কালিয়াগঞ্জ-বুনিয়াদপুর রেল প্রকল্প প্রায় ৩৩ কিলোমিটারের। তা নিয়ে দেরির অভিযোগে ২০২২ সালে জনস্বার্থ মামলা করেন প্রসূন দাস নামে কালিয়াগঞ্জের এক সমাজকর্মী। আইনজীবী কল্যাণ বলেন, ‘‘প্রকল্প বাস্তবায়নে অযথা দেরি হলে আদালত অবমাননার দায়ে পড়তে পারে জেলা।’’ তিনি জানান, সম্প্রতি ওই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্ট দ্রুত জমি অধিগ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। রেলযাত্রী কল্যাণ সমিতির নেতা স্মৃতিশ্বর রায় বলেন, ‘‘দ্রুত প্রকল্পের রূপায়ণ চাই।’’

কল্যাণের অভিযোগ, এ ব্যাপারে উত্তর দিনাজপুর এগিয়ে থাকলেও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় প্রক্রিয়া ধীর গতিতে চলছে। দাবি, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বুনিয়াদপুর এবং হরিরামপুরে প্রায় ৩০১ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য রেল গত বছরের জানুয়ারিতে জেলা প্রশাসনকে জানালেও ন’মাস পরে অক্টোবরে অধিগ্রহণের নোটিস জারি হয়। ওই আইনজীবীর অভিযোগ, এখনও কাগজে বিজ্ঞাপন দেয়নি জেলা প্রশাসন। তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার এ ভাবে সব প্রকল্পেই দেরি করছে। বালুরঘাট-হিলি প্রকল্পেও জমি দিতে দেরি করে।’’ যদিও প্রশাসন সূত্রের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের জন্য বেশ কিছু আধিকারিক ব্যস্ত থাকার কারণে সমস্যা হয়েছে। জেলাশাসক বালাসুব্রমনিয়ন টি বলেন, ‘‘আমরা আদালতের নির্দেশ মেনে কাজ করব। জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিছু পদক্ষেপ এসআইআরের জন্য একটু পিছিয়ে গিয়েছে।’’

অন্য দিকে, গত ২০১০ সালে ওই প্রকল্প অনুমোদিত হলেও ২০১৩ সালে টাকা না থাকার কথা জানিয়ে রেল ওই প্রকল্প বন্ধ করে দেয় বলে অভিযোগ। সেই সূত্রে প্রকল্পের খরচ বিপুল বেড়ে যাওয়ার পিছনে রেলকেই পাল্টা দায়ী করে রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র বলেন, ‘‘সব জমি ওদের ভোটের আগেই দরকার হয়। ষোলো বছর ধরে কী করছিল রেল?’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন