ban on tourists

আবার বাংলাদেশি অতিথিদের স্বাগত উত্তরবঙ্গের হোটেলে! ইউনূস জমানায় জারি নিষেধাজ্ঞা উঠল তারেক আমলে

গত সপ্তাহেই বাংলাদেশে নির্বাচনের পর স্থায়ী সরকার গঠন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের হাত ধরে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে ও পার বাংলা। বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলো খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:১৯
Share:

উত্তরবঙ্গে ঘুরতে আসা বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য উঠল নিষেধাজ্ঞা। —প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে উত্তরবঙ্গের হোটেল সংগঠন। সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করে সিদ্ধান্তের কথা জানালেন গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যেরা। জানানো হল, বাংলাদেশের বাসিন্দারা এ বার থেকে শিলিগুড়িতে গিয়ে যে কোনও হোটেলে থাকতে পারবেন।

Advertisement

গত সপ্তাহেই বাংলাদেশে নির্বাচনের পর স্থায়ী সরকার গঠন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের হাত ধরে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে ও পার বাংলা। বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলো খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই মুহাম্মদ ইউনূস জমানায় যে নিষেধাজ্ঞা আনা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করছেন হোটেল মালিকেরা। গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ বলেন, ‘‘বাংলাদেশ অশান্ত হওয়ার পর ভারতের বিরুদ্ধে যে ভাবে বিদ্বেষ ছড়িয়েছিল, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমরা আলোচনা করে এবং ভোটাভুটির মাধ্যমে সেখানকার পর্যটকদের প্রতি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলাম। তবে ১৭ ফেব্রুয়ারির পর নতুন সরকার আসার পরে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। তাই আবার ভোটাভুটির মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। বিষয়টি জেলা প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে।’’

ওই সংগঠনের সম্পাদক সন্দীপকুমার দাঁ বলেন, ‘‘৭৫ শতাংশ সদস্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন।’’ তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞা জারির পর গত কয়েক মাসে প্রায় ৩ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে হোটেলমালিকদেরও। তবে দেশের স্বার্থে তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

Advertisement

বাংলাদেশ থেকে প্রত্যেক মাসে গড়ে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার পর্যটকরা ভারতে আসেন। প্রধানত চিকিৎসা এবং উচ্চশিক্ষার কারণে। বাংলাদেশের অন্তর্বতিকালীন সরকারের আমলে ওই সংখ্যা কমে মাসে ৫০-৬০ জনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল। শিলিগুড়িতে প্রায় ২৭০ টি হোটেল রয়েছে। হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে প্রায় ১৮৫টি হোটেল। প্রতিটি হোটেলে অতিথিদের বড় অংশই ছিলেন বাংলাদেশের।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement