BJP

ভোটে বাজিমাতে বিজেপির ভরসা ‘প্রবাসী বিস্তারক’

বিজেপির কোচবিহার জেলার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, ‘‘বিষয়টি পুরোপুরি সাংগঠনিক। তাই বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়।’’

নমিতেশ ঘোষ

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৪৬
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

বিহারে বিধানসভা ভোটের অভাবনীয় ফলে কার্যত তাক লাগিয়ে দিয়েছিল বিজেপি। এ বার বিহারের সেই রণকৌশলেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বাজিমাত করতে চাইছে কেন্দ্রের শাসক দল। আর তাই কোচবিহারের মতো সীমান্ত জেলায় বিহারের সেই বিশেষজ্ঞদেরই আনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহারের দিনহাটা, সিতাই, কোচবিহার দক্ষিণ, নাটাবাড়ির মতো 'কঠিন' আসনের দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন সেই বিশেষজ্ঞেরা। যাঁদের পোশাকি নাম ‘প্রবাসী বিস্তারক’। তাঁদের পরিচয় কার্যত গোপন রাখা হচ্ছে। দলের সর্ব স্তরের কর্মী-সমর্থকদের সামনে এই মুহূর্তে তাঁদের হাজির করানো হচ্ছে না। কখনও ঘরে বসে, কখনও বা নিজের মতো করে ময়দানে বেরিয়ে ‘স্ট্র্যাটেজি’ তৈরি করে তা দলের সামনে রাখছেন তাঁরা। বিজেপির কোচবিহার জেলার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, ‘‘বিষয়টি পুরোপুরি সাংগঠনিক। তাই বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়।’’

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির কোচবিহার সাংগঠনিক জেলায় আটটি বিধানসভা রয়েছে। সেই আটটির মধ্যে বর্তমানে ছ’টি বিজেপির দখলে রয়েছে। দিনহাটা ও সিতাই বিধানসভা রয়েছে তৃণমূলের দখলে। তবে এ বারের পঞ্চায়েত নির্বাচন, সিতাই বিধানসভার উপনির্বাচন এবং লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের শাসক দলের কাছে পরাজিত হয়েছে বিজেপি। তাই স্থানীয় নেতাদের উপরে ভরসা না করে বাইরের নেতৃত্বদেরও দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। দলীয় সূত্রেই জানা গিয়েছে, তৃণমূলের দাপুটে নেতা বলে পরিচিত উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহের বিধানসভা ক্ষেত্র দিনহাটা, তৃণমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার খাসতালুক সিতাই বিধানসভার সঙ্গে সঙ্গে কোচবিহার দক্ষিণ, নাটাবাড়ি, শীতলখুচির মতো কঠিন আসনগুলিতে পৌঁছে গিয়েছেন বিহারের প্রবাসী বিস্তারকেরা। বাকি জায়গাগুলিতেও ঝাড়খন্ড ও ত্রিপুরা থেকেও বিস্তারকেরা এসেছেন। এ ছাড়াও কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রেও দু'জন প্রবাসী বিস্তারককে দায়িত্ব দিয়েছিল দল। তাঁদের এক জন রাজস্থানের, অপর জন কর্ণাটকের।

দলীয় সূত্রেই আরও জানা গিয়েছে, এ বারের বিধানসভা নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে দল। বিশেষ করে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া কোচবিহার জেলায় দাপট ধরে রাখতে সার্বিক চেষ্টা করবে কেন্দ্রের শাসক দল। সে জন্য বিহার থেকে বেশি সংখ্যায় বিস্তারক আনা হয়েছে। দল মনে করছে, পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া বিহার। তাই এই এলাকা সম্পর্কে অনেক বেশি ওয়াকিবহাল সেখানকার নেতৃত্ব। সেই সঙ্গে প্রত্যেকের বিহারের জয়ের অভিজ্ঞতাও রয়েছে। তৃণমূলের কোচবিহার জেলার চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মণ বলেন, ‘‘বিজেপি নানা ভাবে চেষ্টা করবে কিন্তু কোচবিহার তথা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তাদের ভোট দেবে না।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন