বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে মারধর। বৃহস্পতিবার কুমারগঞ্জ গ্রামের বানিহারি বুথে। ছবি: অমিত মোহান্ত।
এজেন্টকে বুথে বসতে না দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে প্রথমে কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকার তাড়া করেন ‘তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের’। পরে শুভেন্দুকে ধরে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় শান্তিপূর্ণ ভোটে ব্যতিক্রম কুমারগঞ্জ। ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে কুমারগঞ্জের ২৪ নম্বর বুথ বানিহারি হাই স্কুলে অভিযোগ ওঠে, বিজেপির এজেন্টকে বসতে দেয়নি তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। খবর পেয়ে এলাকায় যান শুভেন্দু। তিনি ‘দুষ্কৃতীদের’ কার্যত তাড়া করেন। পাশেই ওই একই বিধানসভার ২৮ নম্বর বুথ চালুন প্রাথমিক বিদ্যালয়েও একই অভিযোগে বুথে ধরনায় বসেন শুভেন্দু। পরে ফের বানিহারি হাই স্কুলে গেলে সেখানেই তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা শুভেন্দুকে ছেঁকে ধরেন। তাঁকে কিল-চড়-ঘুঁষি মারা হয় বলে অভিযোগ। আহত শুভেন্দু বলেন, ‘‘নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছি। হামলা করে বিজেপিকে দমানো যাবে না।’’ বিজেপির কয়েক জন কর্মী-সমর্থক হামলায় আহত হন। কালদিঘি গঙ্গারামপুর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করান শুভেন্দু। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘শেষ দেখে ছাড়ব।’’ তৃণমূল প্রার্থী তোরাফ হোসেন মণ্ডল বলেন, ‘‘শুভেন্দুকে যে বা যারা মারধর করে তারা কাজটা ঠিক করেনি। তবে প্রার্থী হিসেবে শুভেন্দু কাউকে তাড়া না করলেও পারতেন।’’ পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তল বলেন, ‘‘পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে তদন্ত চালানো হচ্ছে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে