আন্দোলনের হুমকি কংগ্রেসের

চা বাগানের সমস্যা সমাধান, বহু ভাষাভাষীর স্বার্থে ভাষা স্বীকৃতির দাবি-সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লাগাতার আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। রবিবার এ কথা জানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কলকাতাতেও আন্দোলন হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ অগস্ট ২০১৫ ০২:৪৮
Share:

চা বাগানের সমস্যা সমাধান, বহু ভাষাভাষীর স্বার্থে ভাষা স্বীকৃতির দাবি-সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লাগাতার আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। রবিবার এ কথা জানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কলকাতাতেও আন্দোলন হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

Advertisement

শনিবার উত্তরবঙ্গের পাঁচটি সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে তিনি বৈঠকও করেছিলেন। সেখানে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কলকাতাতে আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান আলিপুরদুয়ারের কংগ্রেস বিধায়ক দেবপ্রসাদ রায়। চা বাগানের সমস্যা, শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ির আর্থিক দুর্নীতি, এইমসের দাবির মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লাগাতার আন্দোলন করা উচিত বলে তিনি জানান। কোচবিহার এবং জেলা নেতৃত্বের একাংশও কংগ্রেসকে চাঙ্গা করার দাবি জানান। যাঁরা দলের হয়ে সক্রিয় ভাবে কাজ করেন, তাঁদেরই দায়িত্ব দেওয়ার কথা প্রদেশ সভাপতিকে জানান তাঁরা।

এ দিন বিধাননগরে সন্তোষিণী বিদ্যাচক্র স্কুলে কর্মীসভায় যোগ দিয়ে কর্মীদের চাঙা করতে সচেষ্ট হন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। কংগ্রেস জমানায় ১০০ দিনের প্রকল্প, মিড ডে মিল চালু, খাদ্য সুরক্ষা বিল, রাষ্ট্রীয় স্বাস্ত্য বিমা যোজনার যে কাজ শুরু হয়েছিল সে কথা বোঝান। বাসিন্দাদের কাছে তা তুলে ধরতে বলেন। কংগ্রেসকে যে প্রয়োজন তা মানুষের কাছে প্রচার চালাতে বলেন। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী ৫২ বার উত্তরবঙ্গে এসেছেন।ডেলোপাহাড়ে চিটফান্ড কোম্পানির সঙ্গে বৈঠক করছেন। হাতি দেখছেন, জঙ্গল দেখছেন, ছবি আঁকছেন। আর বলছেন পাহাড় হাসছে, সমতল হাসছে।বাস্তব পরিস্থিতি কী আপনারা বুঝতে পারছেন। সামনে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের নিবার্চন। সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘‘পঞ্চায়েত না থাকলে সুযোগ সুবিধা পাবেন না। তৃণমূল মানুষকে ভুল বোঝাতে চাকরির টোপ দিচ্ছে। টাকা দেওয়ার টোপ দিচ্ছে। চাকরি কোথায়? মানুষকে তা বোঝাতে হবে।’’

Advertisement

বিধাননগর গ্রাম পঞ্চায়েত কংগ্রেসের দখলে ছিল। পরে প্রধান তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। জেলা কংগ্রেস সভাপতি শঙ্কর মালাকার কর্মীসভায় জানান, ওই নেতা বিশ্বাসঘাতকতা করে চলে গিয়েছেন। কিন্তু কংগ্রেস কর্মীরা যাননি। আজকের এই কর্মীসভায় তারা এসেছেন। শঙ্করবাবু বলেন, ‘‘প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিকে বলছিলাম বিধাননগরে আমাদের পরিস্থিতির কথা। হয়ত এখন আমাদের বেশি লোক নেই। অধীরবাবু বলেছেন পাঁচটা লোক থাকলেও তিনি তাদের সঙ্গে কথা বলবেন। সে কারণে তিনি এসেছেন। আপনারা আবার পরিশ্রম করুন। আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াব।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement