ফাইল চিত্র
ফোন করলেই মিলবে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত তথ্য। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের ‘কন্ট্রোল রুম’-এর ‘হেল্পলাইন’-এ ফোন করলেই এই তথ্য মিলবে। গত মঙ্গলবার ‘হেল্পলাইন’টি চালু করা হয়।
দফতরের এক আধিকারিক জানান, করোনাভাইরাস নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। এই সময়ে অনেকেই সাধারণ জ্বর, সর্দি বা কাশিতে ভোগেন। সাধারণ জ্বর হলেও অনেকে আতঙ্কে ভুগছেন। দুশ্চিন্তায় পড়ছেন তাঁদের বাড়ির লোকজনও। তাঁরা যাতে আতঙ্কিত না হয়, সেই লক্ষ্যে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত পরামর্শ মিলবে ২৪ ঘণ্টার ‘হেল্পলাইন’ থেকে।
জেলাশাসক রাহুল মজুমদার জানান, চিকিৎসকেরাই ‘হেল্পলাইন’-এ থাকবেন। অন্য দিকে, গ্রামাঞ্চলে করোনা নিয়ে গুজব ঠেকাতে শুক্রবার বৈঠক করে জেলা পরিষদ। জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) আকাঙ্ক্ষা ভাস্কর এবং জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ সৌমেন বেলথরিয়া বৈঠকে ছিলেন।
সৌমেনবাবু জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে প্রচার করে, শহরের মানুষকে অনেকটাই সচেতন করা গিয়েছে। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে একটা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সে কারণে সচেতনতা প্রচার জরুরি। এই পরিস্থিতিতে কী করবেন, আর কী করবেন না, তা জানাতে এক লক্ষ প্রচারপত্র গ্রামে গ্রামে বিলি করা হবে। ‘পোস্টার’ও ছাপানো হবে। চায়ের দোকান, পঞ্চায়েত, বাসস্টপ-সহ যেখানে মানুষজনের যাতায়াত রয়েছে, সেখানে ‘পোস্টার’ লাগানো হবে। পাশাপাশি, চারটি মহকুমার জন্য চারটি ‘ট্যাবলো’ তৈরি করা হচ্ছে। আগামী সোমবার থেকেই ‘ট্যাবলো’গুলি এলাকায় ঘুরে সচেতনতা প্রচার করবে।
এ দিন কাশীপুর হাটতলা মোড়ে মানুষজনকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ানোর কর্মসূচিতে যোগ দেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়া। তিনি জানান, ভিড় এড়ানোর জন্য বৃহস্পতিবার কাশীপুরের সাপ্তাহিক হাট বন্ধ
করা হয়েছিল।