Coronavirus

সীমানায় আরও স্বাস্থ্য শিবির

মঙ্গলবার ঝাড়খণ্ড লাগোয়া দক্ষিণ পুরুলিয়ার বোরো থানার কুটনি গ্রামের মোড়ে, বান্দোয়ান থানার ধবনী গ্রামের কাছে ও বরাবাজারের বামনিডি গ্রামের সীমানায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। ঝালদা মহকুমার ঝাড়খণ্ড লাগোয়া চারটি থানা এলাকার চারটি জায়গায় পরীক্ষা চলছে।

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২০ ০৭:৩০
Share:

ঝাড়খণ্ড সীমানায় বরাবাজারের বামনিডি গ্রামের অস্থায়ী শিবির। নিজস্ব চিত্র

করোনাভাইরাস ঠেকাতে ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া পুরুলিয়ার প্রবেশপথে আরও কয়েকটি জায়গায় স্বাস্থ্য শিবির শুরু হল। পুরুলিয়া জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই অস্থায়ী শিবিরগুলি থেকে শুধু স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এক জেলা স্বাস্থ্য কর্তা বলেন, ‘‘এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসজনিত সংক্রমণের খবর নেই। কিন্তু আন্তঃরাজ্য যাতায়াতের সূত্রে এ জেলায় সংক্রমণ ঠেকাতে পথচারী ও যাত্রীদের স্বাস্থ্যের হালহকিকত জেনে রাখা হচ্ছে। এ ছাড়া, তাঁদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।’’ তিনি জানান, প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতায় জেলার কয়েকটি জায়গায় অস্থায়ী স্বাস্থ্য শিবির গড়া হয়েছে।

Advertisement

মঙ্গলবার ঝাড়খণ্ড লাগোয়া দক্ষিণ পুরুলিয়ার বোরো থানার কুটনি গ্রামের মোড়ে, বান্দোয়ান থানার ধবনী গ্রামের কাছে ও বরাবাজারের বামনিডি গ্রামের সীমানায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। ঝালদা মহকুমার ঝাড়খণ্ড লাগোয়া চারটি থানা এলাকার চারটি জায়গায় পরীক্ষা চলছে। ঝালদা থানার তুলিনে সুবর্ণরেখা নদীর সীমানায়, বাঘমুণ্ডি থানার ডাংডুং ঘাটে, জয়পুর থানার কাঠালটাঁড় গ্রামে ও কোটশিলা থানার কুটিডি গ্রামের সীমানায় পরীক্ষা চলছে। এর মধ্যে বরাবাজারের বামনিডিতে ও জয়পুর থানার কাঠালটাঁড় গ্রামে সীমানায় দু’টি অস্থায়ী স্বাস্থ্য শিবির তৈরি করা হয়েছে। এই দু’টি রাস্তাই আন্তঃরাজ্য সড়ক বলে পরিচিত।

বরাবাজারের বিএমওএইচ রবীন সোরেন জানান, ঝাড়খণ্ডের দিক থেকে যাঁরা আসছেন, তাঁদের স্বাস্থ্যের ইতিহাস জেনে নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া, সম্প্রতি ভিন্‌ রাজ্যে বা বিদেশে গিয়েছিলেন কি না সেই খোঁজও নেওয়া হচ্ছে। তাঁদের নিয়মিত হাত ধুতে বলা হচ্ছে। জ্বর এবং সর্দি-কাশ থাকলে পরীক্ষা করিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ অবধি সন্দেহজনক কিছু মেলেনি। স্বাস্থ্যকর্মীরা দু’টি শিফটে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অস্থায়ী শিবিরে থাকছেন। এসডিও (ঝালদা) সুশান্ত ভক্ত ও এসডিপিও (ঝালদা) সুমন্ত কবিরাজ তুলিনের শিবিরে গিয়ে খোঁজ নেন। এসডিপিও (মানবাজার) আফজল আবরার বলেন, দক্ষিণ পুরুলিয়ায় যে সমস্ত সিআরপি ক্যাম্প রয়েছে, মঙ্গলবার এ রকম কয়েকটি শিবির পরিদর্শন করেছি। যে জওয়ানেরা ভিন্‌ রাজ্য থেকে ছুটি নিয়ে ফিরছেন, তাঁদের আলাদা ভাবে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা আগে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন। করোনাভাইরাস ঠেকাতে সতর্কতাকেই গুরুত্ব দিচ্ছি।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement