ফাইল চিত্র
বিদেশ ফেরত আরও দু’জনকে শুক্রবার পাঠানো হল ‘হোম কোয়রান্টিন’-এ। পুরুলিয়া জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এক জন ফিলিপিন্স গিয়েছিলেন। অন্য জন দুবাই থেকে জেলায় ফেরেন। এ নিয়ে হাসপাতাল ও বাড়িতে ‘কোয়রান্টিন’-এ থাকা ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে হল ১৮। তাঁদের মধ্যে তিন জন দেবেন মাহাতো মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ‘কোয়রান্টিন’-এ রয়েছেন। বাকিদের ‘হোম ‘কোয়রান্টিন’-এ পাঠানো হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, দুবাই ফেরত আর এক যুবককে এ দিন দেবেন মাহাতো মেডিক্যালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তাঁরই লালা-রসের নমুনা পরীক্ষার জন্য কলকাতা পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি বাড়ি ফেরার পরে তিনি গলায় ব্যথা অনুভব করেন। জ্বরও এসেছিল। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক জানান, ‘‘জেলা থেকে কেবল এক জনেরই লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য কলকাতায় পাঠানো হয়েছে।’’
হাসপাতাল যাঁদের ‘কোয়রান্টিন’-এ রাখা হয়েছে তাঁদের নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। তবে ‘হোম ‘কোয়রান্টিন’-এ থাকার কথা এমন দু’-তিন জন বাইরে ঘোরাফেরা করছেন বলে স্বাস্থ্য দফতরের কাছে খবর এসেছিল। দফতরের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘স্থানীয় সূত্রে খবর এসেছিল যে, হোম কোয়রান্টিন-এ যাঁদের থাকতে বলা হয়েছে, তাঁদের কেউ কেউ ঘরে থাকছেন না। অথচ, তাঁদের টানা ১৪ দিন গৃহবন্দি থাকার কথা। যাঁরা এই পরামর্শ মানছেন না, তাঁদের সতর্ক করা হয়েছে।’’ এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘‘হোম কোয়রান্টিন-এ পাঠানো এক জন পরামর্শ মানতে চাইছিলেন না। তাঁকে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশ না মানলে হাসপাতালে কোয়রান্টিনে পাঠানো হবে। তার পরে ওই ব্যক্তিকে বাইরে দেখা যায়নি।’’