প্রতীকী ছবি
একই দিনে জেলার দু’টি হাসপাতাল থেকে এক অন্তঃসত্ত্বা তরুণী এবং এক যুবকের লালারসের নমুনা পাঠানো হল কলকাতার নাইসেডে। তবে, মঙ্গলবার সকালে সিউড়ির সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকাকালীন ওই অন্তঃসত্ত্বা তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। অন্য দিকে, বোলপুরের সিয়ান হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন ওই যুবক।
জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অন্তঃসত্ত্বা তরুণীর শ্বশুরবাড়ি ঝাড়খণ্ডের সুখজোড়া। আর বাপেরবাড়ি সিউড়ি শহরে। সোমবার তিনি জ্বর-সহ কিছু শারীরিক সমস্যা নিয়ে সিউড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি হন। মঙ্গলবার তাঁকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়।
ওই ওয়ার্ডে থাকাকালীন তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে নাইসেডে পাঠানো হয়। তার কিছুক্ষণ পরেই তরুণীর মৃত্যু হয়। এই নিয়ে বীরভূম জেলা স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য
আধিকারিক হিমাদ্রি আড়ি বলেন, ‘‘মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তবে প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে, হৃদযন্ত্রের সমস্যার কারণেই ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কারণ নিশ্চিত করে বলা যাবে না।" হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনার রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত মৃতদেহ পরিবারের হাতে দেওয়া হবে না।
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রেই জানা গিয়েছে, বোলপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবক কিছুদিন আগে কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার পরে লাভপুরে নিজের বাড়ি ফেরেন। সেখানেই তিনি হোম কোয়রান্টিনে ছিলেন। কিন্তু সোমবার তাঁর জ্বর এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হয়। ওই উপসর্গ নিয়ে তিনি বোলপুরের সিয়ান হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তাঁকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।