রামপুরহাট হাসপাতালে জখম কর্মী। শনিবারের নিজস্ব চিত্র।
রাজনৈতিক বচসাকে কেন্দ্র করে বোমাবাজিতে জখম হল বাবা ও ছেলে। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে মাড়গ্রাম থানার বিষ্ণুপুর গ্রামে। আহত বাবা অজিত ধীবর ও ছোট ছেলে সুব্রত ধীবরকে প্রথমে বিষ্ণুপুরে অবস্থিত রামপুরহাট ২ ব্লক প্রথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র ভর্তি করা হয়। পরে তাঁদেরকে রামপুরহাট জেলা হাসপাতালে স্থান্তরিত করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে অজিত ধীবরকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। পুলিশ ঘটনায় জামাল শেখ নামে কালিদহে এক যুবককে গ্রেফতার করে।
সিপিআই (এম.এল) লিবারেশন রাজ্য কমিটির সদস্য মলয় তিওয়ারির দাবি, আহতরা তাঁদের সমর্থক। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের মারধর করেছে। মলয়বাবু বলেন, ‘‘বিষ্ণুপুর গ্রামের একটি খাস পুকুরে মাছ চাষকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু ধীবর সম্প্রদায়ের মানুষ সরকার়ি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমরা সে জায়গায় তাদের সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দিতে আন্দোলন শুরু করেছি। সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছে সুব্রত ও তাঁর বাবা। এরা আগে তৃণমূল করত।’’ রামপুরহাট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সুব্রত বলেন, ‘‘আমি নকশাল এর জন্য কাজ করছি, তবে আগে তৃণমূল করতাম। আমাকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তৃণমূলরা পাশে দাড়িয়েছে, তাই আমি তৃণমূল!’’ সুব্রত জানান, এ দিন দুপুরে গ্রামের শেষ প্রান্তে একটি সেলুনে বসে থাকার সময় কালিদহ গ্রামের আজাদ সেখ, জামাল সেখরা তাঁদের হুমকি দিয়ে বলতে থাকে, ‘তৃণমূলকে ভোট দিবি না’। এই নিয়ে বচসা শুরু হয় প্রথমে জামার কলার ধরে মারধর শুরু করে। তাঁর কথায়, ‘‘তখন বাবা চলে আসে বাঁচাতে। ওরা বোম মারে আমাকে লক্ষ্য করে।’’ পুলিশ জানায় এই ঘটনায় জামাল সেখ নামে এক যুবককে ধরা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তৃণমূলের বিষ্ণুপুর অঞ্চলের সভাপতি নন্দদুলাল দাসবৈরাগ্য জানান, ‘‘আহতরা আমাদের সমর্থক। যারা মেরেছে তাঁরা সিপিএম সমর্থক।’’