মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।
বিধায়কদের সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষীদের বিধানসভার ভিতরে প্রবেশে নিষেধ করেছেন স্পিকার। তা হলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর রক্ষীরা কী ভাবে বিধানসভার ভিতরে ঢুকছেন, সোমবার কার্যত সেই প্রশ্ন উঠল কলকাতা হাই কোর্টে। এ দিন মুখ্যমন্ত্রীর রক্ষীদের ভিতরে ঢোকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মামলাকারী বিজেপি বিধায়কদের আইনজীবী। সেই শুনানিতে বিচারপতি অমৃতা সিংহেরও পর্যবেক্ষণ, ‘‘রাজ্যের সব থেকে বেশি সুরক্ষিত স্থানগুলির মধ্যে একটি হল বিধানসভা ভবন। সেখানে সব বিধায়কেরা থাকেন। কেন কেউ সেখানে নিরাপত্তার অভাব বোধ করে নিজস্ব রক্ষী নিয়ে ঢুকবেন?’’
যদিও রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্তের যুক্তি, মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার সঙ্গে অন্যদের নিরাপত্তা সমতুল নয়। স্পিকারের অনুমতি নিয়েই মুখ্যমন্ত্রী রক্ষী নিয়ে বিধানসভার ভিতরে ঢুকেছিলেন বলেও এজি-র দাবি। তাঁর আরও বক্তব্য, এই মামলায় চারটি সাংবিধানিক পদ জড়িত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধানসভার স্পিকার, বিচারপতি এবং অ্যাডভোকেট জেনারেল। বিরোধী দলনেতা কোনও সাংবিধানিক পদ নয়। তাই এই মামলাও গ্রহণযোগ্য নয়। বিধানসভার পরিচালনায় স্পিকারের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ না করার এবং বিজেপির দায়ের করা আদালত অবমাননার মামলা খারিজ করার আর্জিও জানান এজি।
এ দিন মামলার শুনানি ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত মুলতুবি করেছেন বিচারপতি অমৃতা সিংহ। তাঁর পর্যবেক্ষণ, এই জাতীয় মামলায় আদালতের সময় খরচ করতে তিনি রাজিনন। পাশাপাশি স্পিকারের জারিকরা নিরাপত্তারক্ষী সংক্রান্ত নির্দেশিকা সব বিধায়কদের জন্যেই প্রযোজ্য হওয়া উচিত বলেও মন্তব্যকরেন বিচারপতি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে