সুদর্শন চক্র।
অপারেশন সিঁদুর-এর খেলা ঘুরিয়ে দেওয়ার পিছনে মূল অবদান ছিল এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার। পোশাকি নাম সুদর্শন চক্র। অপারেশন সিঁদুরের সময়ে পাকিস্তানের বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র এমনকি ড্রোন ধ্বংস করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল ওই সুদর্শন চক্র। এ বার সেই এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রথম বারের জন্য অংশ নিতে চলেছে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এস- ৪০০ প্রকাশ্যে প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রতিবেশী পাকিস্তান ও চিনকে বার্তা দেওয়ার কৌশল নিয়েছে নয়াদিল্লি।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে অপারেশন সিঁদুরের উপর একটি ট্যাবলো বানানো হয়েছে। যাতে মূলত এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে তুলে ধরা হবে। সূত্রের মতে, গত মে মাসে হওয়া অপারেশন সিঁদুরের সময়ে পাকিস্তানের অন্তত ৫-৬টি যুদ্ধবিমান, একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সফল ভাবে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিল এস-৪০০। এ ছাড়া এ বারের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রথম বার দেখা যাবে ‘ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজ়েশন’-এর তৈরি ‘হাইপারসোনিক গ্লাউড মিসাইল’। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যে সেটি শত্রুপক্ষের রেডারকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। এটির পাল্লা প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার যা বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র বহন করতে সক্ষম। এ ছাড়া প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে ‘ধনুষ’ গান সিস্টেম, আকাশ (এল)লঞ্চার, সূর্যাস্ত্র ইউনির্ভাসাল রকেট লঞ্চার সিস্টেম, আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন প্রদর্শনকরা হবে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে