Viral Video

মৃত তিমির পিঠে চড়ে মদ্যপের কেরামতি, ছবিও তোলালেন! দুই মৎস্যজীবীর কাণ্ডের ভিডিয়োয় নিন্দার ঝড়

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, মাঝসমুদ্রে একটি বিশাল তিমির দেহ ভেসে যাচ্ছে। তিমির মৃতদেহটি দেখতে পেয়ে সে দিকে এগিয়ে যায় মৎস্যজীবীদের একটি নৌকা। তিমির দেহের সঙ্গে ঠেকিয়ে নৌকাটি থামানো হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:১৮
Share:

মৃত তিমির পিঠে চড়ে দুই মদ্যপের কেরামতি। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

আকণ্ঠ মদ্যপান করে মাঝসমুদ্রে মৃত তিমির পিঠে চেপে কেরামতি দুই মৎস্যজীবীর! ছবিও তোলালেন মৃত প্রাণীটির উপরে বসে। চাঞ্চল্যকর তেমনই একটি ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। হইচইও ফেলেছে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কোথায় এবং কবে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, মাঝসমুদ্রে একটি বিশাল তিমির দেহ ভেসে যাচ্ছে। তিমির মৃতদেহটি দেখতে পেয়ে সে দিকে এগিয়ে যায় মৎস্যজীবীদের একটি নৌকা। তিমির দেহের সঙ্গে ঠেকিয়ে নৌকাটি থামানো হয়। নৌকাটি থামার পর সেখান থেকে দু’জন মৎস্যজীবী মৃত তিমির পিঠে চড়ে বসেন। অন্য এক মৎস্যজীবী সাহায্য করেন তাঁদের। এর পর মৃত তিমির পিঠে চড়ে কেরামতি করতে দেখা যায় দু’জনকে। অদ্ভুত কায়দায় ছবি তোলান তিমিটির পিঠে বসে। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। দাবি করা হয়েছে, ওই দুই মৎস্যজীবী মদ্যপ ছিলেন।

ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে একাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট-রিপোস্ট করা হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছে ‘কলিন রাগ’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকেও। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটাগরিকেরা। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই আবার বিরক্তিও প্রকাশ করেছেন অনেকে। ওই দুই মৎস্যজীবীকে ‘অসংবেদনশীল’ তকমা দিয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ। আলোচনা-সমালোচনার ঢেউ বয়ে গিয়েছে। বন্যপ্রাণীর নিরাপত্তা এবং সম্মান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘অসংবেদনশীল। দুই মৎস্যজীবী ভাগ্যবান যে, তাঁরা যখন তিমির মৃতদেহের উপর বসেছিলেন তখন সেটি ফেটে যায়নি।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘প্রকৃতিকে সম্মান করতে শিখুন। এত জঘন্য কাজ করার আগে দু’বার ভাবতে হত। লজ্জা হওয়া উচিত।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement