ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
বিভিন্ন দেশের বিয়ের রীতিনীতি আলাদা। বর-কনের সাজপোশাকও আলাদা। যেমন অনেক ভারতীয় বিয়েতে কনেদের বেনারসি বা লেহঙ্গা পরার রীতি রয়েছে। আবার পশ্চিমি দেশগুলিতে বিয়ের সময় কনেরা সাধারণত সাদা গাউন পরেন। কিন্তু যে দেশই হোক না কেন, বর-কনেরা বিয়ের জন্য এমন পোশাক বেছে নেন যা ঐতিহ্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত রুচিকেও প্রতিফলিত করে। তবে সম্প্রতি এক বিদেশিনি তাঁর বিয়েতে যে পোশাক পরেছিলেন তা সমাজমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। হইচই পড়ে গিয়েছে নেটপাড়ায়।
‘দ্য সান’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কনের নাম বেকি। গত বছরের মে মাসে টিকটকে তাঁর বিয়ের একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছিলেন তিনি, যা তাঁর পরনের গাউনের কারণে দ্রুত মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল নেটাগরিকদের। ভিডিয়োটি আবার নতুন করে ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বেকি বিয়েতে যে পোশাক পরেছিলেন, তা একটু বেশিই খোলামেলা। ওই পোশাকে বেকির ঊর্ধ্বাঙ্গ অনেকাটাই অনাবৃত ছিল। নেটাগরিকদের বেশ কয়েক জনের দাবি, পোশাকটি অতিথিদের অস্বস্তিতে ফেলার জন্য যথেষ্ট। ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হওয়ার পর বেকি নামে ওই তরুণী ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পুনরায় পোস্ট করেন সেই ভিডিয়ো। ফলে সমাজমাধ্যম জুড়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
নেটাগরিকদের অনেকেই বিয়ে উপলক্ষে বেকির পোশাকের পছন্দ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। অনেকের দাবি, তাঁরা কখনওই নিজেদের বিয়েতে এই ধরনের পোশাক পরবেন না। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তীব্র ট্রোলিংয়েরও শিকার হতে হয়েছে তরুণীকে। যদিও বেশ কয়েকটি মন্তব্যের জবাব দিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বেকি। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, ওই গাউনটি দেখে তাঁর এত ভাল লেগেছিল যে তিনি সেটি কিনে নেন। কিন্তু তখন বুঝতে পারেননি সেটি এত খোলামেলা। বিয়ের আগে তিনি অনেকটা ওজন কমানোয় পোশাকটি আরও ঢলঢলে হয়ে যায়। ফলে পোশাকটি পরার পর তাঁর শরীরের অনেকটা অংশ দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু বিকল্প না পেয়ে সেই পোশাকই পরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
বেকি আরও জানিয়েছেন, তিনি যাঁকে ভালবাসতেন তাঁকেই বিয়ে করছেন এবং সমালোচনার চেয়ে নতুন বিবাহিত জীবনের দিকেই বেশি মনোনিবেশ করছেন তিনি। বেকির স্বামীও তাঁর সমর্থনে কথা বলেছেন সমাজমাধ্যমে।