রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। — ফাইল চিত্র।
কিছুটা অভূতপূর্ব ভাবেই বারবার তিন বার তৃণমূলের সংসদীয় দলের দেখা করতে চাওয়ার আবেদন ‘সময়ের অভাব’ বলে ফিরিয়ে দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তবে হাল না ছেড়ে ফের তাঁর সঙ্গে জনজাতি কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি নিয়ে কথা বলতে চেয়ে সময় চাইল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। রাষ্ট্রপতি ভবনের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এমন ঘটনা ঘটতে দেখা যায়নি বলেই জানাচ্ছে রাজনৈতিক শিবির।
প্রসঙ্গত সতেরো দিন আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর উত্তরবঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছিল। আন্তর্জাতিক জনজাতি সম্মেলনে যোগ দিতে শিলিগুড়ির গোঁসাইপুরে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে মুখ্যমন্ত্রী বা তাঁর মন্ত্রিসভার কোনও সদস্য না যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বাংলায় আদিবাসী সমাজের উন্নয়ন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাষ্ট্রপতি। তার জবাব দিতে দেরি করেনি রাজ্যের শাসক দল। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনজাতি উন্নয়নে তাঁর সরকার কী কী পদক্ষেপ করেছে, তা জানাতে প্রতিনিধিদলকে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার নির্দেশ দেন।
তৃণমূল সূত্রে খবর, ৯ মার্চ প্রথম বার রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতিনিধিদল পাঠানোর জন্য সময় চেয়ে চিঠি দেন রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। রাজ্যে তফসিলি জাতি, জনজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির মানুষের উন্নয়নে যে বিভিন্ন প্রকল্প চালু হয়েছে, তার বিস্তারিত বিবরণ রাষ্ট্রপতির সামনে তুলে ধরার জন্য সাক্ষাতের আবেদন জানানো হয়। তবে ১১ মার্চ ‘সময়ের অভাব’ বলে সাক্ষাৎ করা সম্ভব নয় বলে জানায় রাষ্ট্রপতি ভবন। এর পর আবার ১৬ থেকে ২০ মার্চের মধ্যে সময় চেয়ে নতুন করে আবেদন করা হয় তৃণমূলের তরফে। ২২ মার্চ আবারও একই কারণ দেখিয়ে আবেদন নাকচ করা হয়। এই পরিস্থিতিতে ২৩ মার্চ তৃতীয় বার চিঠি পাঠিয়ে ২৪ মার্চ থেকে ২ এপ্রিলের মধ্যে যে কোনও একটি তারিখে সময় দেওয়ার অনুরোধ জানায় তৃণমূল। সেই আবেদন খারিজের পর ফের আজ চতুর্থ বার তৃণমূলের তরফে চিঠি গিয়েছে রাষ্ট্রপতি ভবনে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে