Coronavirus

নবান্নের আর্জি মেনে ট্রেন-উড়ান কমাল কেন্দ্র

এত দিন পূর্ব রেলে সপ্তাহে চার দিন হাওড়া ও নয়াদিল্লির মধ্যে (ভায়া পটনা এবং ভায়া ধানবাদ) দু’জোড়া বিশেষ ট্রেন যাতায়াত করত। এখন থেকে সেই দু’জোড়া ট্রেন সপ্তাহে এক দিন চলবে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২০ ০৫:৩৩
Share:

প্রতীকী ছবি।

করোনার প্রাদুর্ভাব বেশি, এমন রাজ্য থেকে ট্রেনের সংখ্যা কমানোর আর্জি জানিয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছিল নবান্ন। সেই আবেদনের ভিত্তিতে দিল্লি, মুম্বই ও আমদাবাদ থেকে ট্রেনের সংখ্যা কমিয়ে দিল রেল। ১১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে এই ব্যবস্থা কার্যকর হচ্ছে। একই সঙ্গে কলকাতা থেকে দেশের বিভিন্ন শহরে উড়ান কমে চলেছে।

Advertisement

এত দিন পূর্ব রেলে সপ্তাহে চার দিন হাওড়া ও নয়াদিল্লির মধ্যে (ভায়া পটনা এবং ভায়া ধানবাদ) দু’জোড়া বিশেষ ট্রেন যাতায়াত করত। এখন থেকে সেই দু’জোড়া ট্রেন সপ্তাহে এক দিন চলবে। দক্ষিণ-পূর্ব রেলে দু’জোড়া বিশেষ ট্রেন সপ্তাহে সাত দিনই চলত। নতুন ব্যবস্থায় ওই সব ট্রেন সপ্তাহে এক দিন চলবে। নবান্ন সূত্রে খবর, বাংলার বাইরে থেকে আসা যাত্রীদের মাধ্যমে সংক্রমণের আশঙ্কা কমাতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যে-সব ক্ষেত্রে ট্রেন কমানো হচ্ছে, তার মধ্যে দিল্লি ও মুম্বই রুটে চলা বিভিন্ন ট্রেনে টিকিটের চাহিদা ছিল ১০০ শতাংশের কাছাকাছি।

করোনা আবহে কলকাতার বিভিন্ন উড়ানে কোপ পড়ছে। সোমবারের খবর, এই শহর থেকে কমে গিয়েছে আরও ৪৮টি উড়ান। এখান থেকে সারা দিনে গড়ে ১৩২টি উড়ান যাতায়াত করছিল। এ দিন তা কমে হয়েছে ৮৪। রাজ্য সরকারের ইচ্ছে অনুযায়ী এ দিন থেকে দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, আমেদাবাদ, নাগপুর ও পুণের সব উড়ান বাতিল হয়ে গিয়েছে। ফলে কমে গিয়েছে যাত্রীর সংখ্যাও। উড়ান বাতিলের খবর আগে থেকেই যাত্রীদের ফোন এবং এসএমএস করে জানিয়ে দিয়েছিল উড়ান সংস্থাগুলি। তার সত্ত্বেও এ দিন সকালে কিছু যাত্রী বিমানবন্দরে পৌঁছে যান। উড়ান বাতিলের কথা শুনে ফিরে যান তাঁরা।

Advertisement

কলকাতা বিমানবন্দর সূত্রের খবর, কিছু যাত্রী ভুবনেশ্বর, পটনা, রাঁচী, লখনউ হয়ে দিল্লি ও মুম্বই যাতায়াত শুরু করেছেন। বাগডোগরা থেকে এ দিন চারটি উড়ান দিল্লি গিয়েছে। দিল্লি থেকে পাঁচটি উড়ান যাত্রী নিয়ে এসেছে ওই বিমানবন্দরে। বাগডোগরা থেকে একটি উড়ান মুম্বই গিয়েছে। সেখান থেকে এসেছে একটি উড়ান।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement