—প্রতীকী চিত্র।
কালিয়াচকে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ এবং জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসককে আটকে রাখার অভিযোগে দুই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। গোয়েন্দারা জানান, ধৃতদের নাম মহম্মদ সারিউল শেখ এবং মনজির শেখ। বাড়ি কালিয়াচকে। এর মধ্যে সারিউল তৃণমূলের কালিয়াচক-১ নম্বর ব্লকের সভাপতি। শুক্রবার দুপুরে কালিয়াচক থানায় ওই দু’জনকে তলব করা হয়েছিল। দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। রাতে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।
সূত্রের খবর, শনিবার ধৃতদের কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। বিচার ভবনের এনআইএ-র বিশেষ আদালত বন্ধ থাকায় সারিউল এবং মনজিরকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে বিচারক দু’দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামিকাল, সোমবার ফের ধৃতদের এনআইএ-র বিশেষ আদালতে হাজির করানো হবে। সূত্রের দাবি, ওই দু’জনকে হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানাবে এনআইএ।
তদন্তকারীরা জানান, ১ এপ্রিল এসআইআর-এ নাম বাতিলের প্রতিবাদে বিচারকদের আটকে রাখার পাশাপাশি কালিয়াচকে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়েছিল এবং আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলতে যাওয়া অতিরিক্ত জেলাশাসকের গাড়ি আটকে রাখা হয়। অভিযোগ, অতিরিক্ত জেলাশাসকের গাড়ি আটকে রাখার ঘটনায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মানজির শেখ এবং কালিয়াচকে ১৬ ঘণ্টা জাতীয় সড়ক অবরোধ করার অন্যতম মাথা সারিউল। মালদহের মোথাবাড়ি, কালিয়াচকের অশান্তির ঘটনায় মোট ১২টি মামলা রুজু করেছে এনআইএ। তার মধ্যে একটি মামলায় ৫২ জন গ্রেফতার হয়েছেন।
এ দিন কালিয়াচকের মামলায় দলের ব্লক সভাপতিকে গ্রেফতার প্রসঙ্গে তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, “বিজেপি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে আগে থেকেই ব্যবহার করে আসছে। এ বার আরও বেশি করবে। তাতে তৃণমূল কর্মীদের ভয় পাওয়ানো যাবে না।” বিজেপির দক্ষিণ মালদহের সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “রাজ্যে এ বার আইনের শাসন চলবে। যা তৃণমূলের আমলে হয়নি।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে