রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আগামী ১০-১২ এপ্রিল কলকাতা ও হাওড়া পুরসভায় নির্বাচনের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ।
এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহেই রাজ্যে পুরসভা নির্বাচনের সম্ভাবনা। প্রথম দফায় কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার ভোট। এপ্রিলের শেষে দ্বিতীয় দফায় আরও কয়েকটি পুরসভায় ভোটের সম্ভাবনা। পুরভোট নিয়ে রাজ্য সরকার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে।
রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আগামী ১০-১২ এপ্রিল কলকাতা এবং হাওড়া পুরসভায় নির্বাচনের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এপ্রিলের ২৫-২৬ তারিখ নাগাদ বাকি পুরসভাগুলিতে ভোট হতে পারে। দু’দফাতেই ভোট শেষ করতে চাইছে কমিশন। যদিও রাজ্য তিন দফায় ভোট শেষ করতে চাইছে বলে সূত্রের খবর। সে ক্ষেত্রে শেষ দফার ভোট হতে পারে মে মাসে।
ইতিমধ্যেই ৯৩টি পুরসভার আসন সংরক্ষণ সংক্রান্ত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। আরও ১৭টি পুরসভাতেও নির্বাচন হওয়ার কথা। রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, তারা পুরনির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। ইভিএমে ভোট করাতে কমিশন তৈরি রয়েছে বলে সূত্রের খবর। ইভিএমের সঙ্গে সে ক্ষেত্রে ভিভিপ্যাটও ব্যবহার করা হতে পারে। যদি তাই হয়, তবে এ বারই প্রথম পুর নির্বাচনে ভিভিপ্যাট-সহ ভোট হবে। শোনা যাচ্ছে, রাজ্যও ইভিএমের বিপক্ষে নয়। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যালটে ভোট করার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত কী হবে, তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলেই কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: এ বারও মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁস? খতিয়ে দেখছে পর্ষদ
আরও পড়ুন: এ রাজ্যে ‘সফট টার্গেট’ হতে পারেন পিকে, আশঙ্কা গোয়েন্দাদের, তাই জেড নিরাপত্তা
শেষ বার ব্যালটে ভোট হয়েছিল গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে। বছর দুয়েক আগে অর্থাৎ ২০১৮-র সেই নির্বাচন ঘিরে বিরোধীদের অভিযোগের অন্ত ছিল না। ব্যালট লুঠের পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রে ঢুকে ছাপ্পা মারার অভিযোগও উঠেছিল শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আসন্ন পুর ভোটে পুরনো পঞ্চায়েত বিতর্ককে মাথায় রেখে রাজ্য নির্বাচন কমিশন চাইছে, ইভিএমেই ভোট প্রক্রিয়া সারতে। যদিও এ নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি কমিশন। কমিশনের এক কর্তা বলেন, ‘‘পুর নির্বাচন নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।’’