এ বছরও ৩০ নভেম্বর বিজেপি-র ‘উত্থান দিবস’-এ কলকাতায় সভা করতে পারেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। গত বছর ৩০ নভেম্বরও তিনি কলকাতায় সভা করেছিলেন এবং সেই সভাস্থলের অনুমতি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি-র টানাপড়েন গড়িয়েছিল আদালতে। শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়েছিল বিজেপি। গত বছর অমিতের ওই সভা হয়েছিল ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে। এ বার অবশ্য তাঁর সভা করার কথা শহিদ মিনার ময়দানে। বিজেপি সূত্রের খবর, ওই সভা থেকেই এ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের প্রচার শুরু করার পরিকল্পনা করেছে তারা।
গত বছর লোকসভা নির্বাচনে ১৭ শতাংশ ভোট পেলেও সম্প্রতি পুরভোটে বড়সড় ধাক্কা খেয়ে বিজেপি-র পালে হাওয়া এখন স্তিমিত। গোটা বিজেপি এখন তাকিয়ে বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের ফলের দিকে। যা জানা যাবে ৮ নভেম্বর। বিজেপি বিহারের গদি দখল করতে পারলে ৩০ তারিখ কলকাতায় এসে অমিত নতুন উদ্যমে বঙ্গ বিজয়ের জন্য হুঙ্কার দিতে পারবেন। আর বিহারে বিজেপি ধাক্কা খেলে তখন বাংলায় এসে নতুন কৌশল বাতলাতে হবে দলের সর্বভারতীয় সভাপতিকে।
তবে ২০১৬-র বিধানসভা ভোটের জন্য ইতিমধ্যেই ঘুঁটি সাজাতে শুরু করেছে বিজেপি। পুজোর মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ এবং সিদ্ধার্থনাথ কলকাতায় ঘুরে সাংগঠনিক বৈঠক করেছেন। ভোটের প্রস্তুতি পর্বে বিধানসভা কেন্দ্রপিছু এক জন করে পর্যবেক্ষক দেবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কয়েক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর হাতে সব ক’টি বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হবে। ৩০ নভেম্বর অমিতের সভা থেকেই আনুষ্ঠানিক ভাবে ভোটের প্রচার শুরু করবে গেরুয়া শিবির।