(বাঁ দিকে) মিমি চক্রবর্তী তনয় শাস্ত্রী (ডান দিকে)। ফাইল চিত্র।
বনগাঁকাণ্ডে এ বার আইনি নোটিস পাঠানো হল অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে। খবর, আইনি নোটিস পাঠালেন অভিযুক্ত তনয় শাস্ত্রী। আনন্দবাজার ডট কম যোগাযোগ করলে খবরের সত্যতায় সিলমোহর দিয়েছেন তিনি। অভিনেত্রীর সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য ফোন করা হয়। অভিনেত্রী নীরব।
তনয় আরও জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই মিমির কাছে পৌঁছে গিয়েছে আইনি নোটিস। বলেছেন, "মিমিকে অনুষ্ঠানের জন্য পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা। সেই অর্থ ফেরত চেয়েছি। একই সঙ্গে উনি আমায় অকারণ বেআব্রু করেছেন। আদালতের কাঠগড়ায় তুলেছেন। জেলে পাঠিয়েছেন। আমার সম্মানহানি হয়েছে।" এর জন্য তিনি অভিনেত্রীর কাছে দাবি করেছেন ২০ লক্ষ টাকা। তিনি জানিয়েছেন, আগামী দু'এক দিনের মধ্যে মামলা আদালতে উঠবে।
প্রসঙ্গত, আদালতে পেশ করার পর সংবাদমাধ্যমকে তনয় বলেছিলেন, তিনি এর শেষ দেখে ছাড়বেন। মিমিকে আইনি নোটিস পাঠিয়ে এ দিন তিনি বলেন, "এ তো সবে শুরু!"
গত মাসের শেষে বনগাঁয় অনুষ্ঠান করতে গিয়েছিলেন মিমি। রাতের অনুষ্ঠানের তিনিই ছিলেন শেষ শিল্পী। মিমির অভিযোগ, তাঁকে অনুষ্ঠানের মাঝপথে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেন তনয়। অকারণ হেনস্থা করেন। পাল্টা অভিযোগ জানান তনয়ও। তাঁর অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ে মিমি অনুষ্ঠানে আসেননি। তিনি মঞ্চে ওঠার ১৫ মিনিটের মাথায় রাত ১২টা বাজে। অনুষ্ঠান শেষ করতে বাধ্য হন তিনি।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু আইনি লড়াই। মিমি লিখিত অভিযোগ জানান স্থানীয় থানায়। এর পরেই মিমিকে হেনস্থা, পুলিশি তদন্তে বাধাদান এবং পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ানোয় গ্রেফতার হন তনয়। জামিন-অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয় তাঁর বিরুদ্ধে। এক সপ্তাহের বেশি সময় সংশোধনাগারে কাটিয়ে মিমির জন্মদিনের দিন জামিন মিলেছে অভিযুক্তের।