Spain

বিক্রি আছে এই ‘ভূতের গ্রাম’, কিনবেন নাকি?

ভূত আছে না নেই, তা তর্কসাপেক্ষ। যাঁরা বিশ্বাস করেন না, তাঁদের কথা আলাদা। কিন্তু যাঁরা মনে করেন, অশরীরীরা চারপাশে রয়েছেন, এই গ্রাম তাঁদের জন্য।

Advertisement
সংবাদ সংস্থা
শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০১৯ ১৩:২৯
Share:
০১ ০৯

ভূত আছে না নেই, তা তর্কসাপেক্ষ। যাঁরা বিশ্বাস করেন না, তাঁদের কথা আলাদা। কিন্তু যাঁরা মনে করেন, অশরীরীরা চারপাশে রয়েছেন, এই গ্রাম তাঁদের জন্য।

০২ ০৯

কিন্তু কী এমন রয়েছে সেখানে? দূর থেকে গ্রামের থমথমে চেহারা দেখলে অন্তত এটুকু বোঝা যায় যে, এই গ্রামগুলিতে প্রাণের উচ্ছ্বলতা তেমন নেই।

Advertisement
০৩ ০৯

স্পেনের উত্তরে গ্যালিসিয়ায় রয়েছে আকোরাদা নামের ছোট্ট একটা গ্রাম। গোটা গ্রামে রয়েছে মাত্র ছ’টা ধূসর পাথরের বাড়ি। এগুলি ছিল ইগলেসিয়াস পরিবারের। দু’টি শস্যভাণ্ডার রয়েছে এই গ্রামে।

০৪ ০৯

প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই গ্রামে বাস করতেন ওই পরিবারের সদস্যরা। গমের খেত ছিল তাঁদের। কিন্তু সে সবই আজ পরিত্যক্ত।

০৫ ০৯

৫৭ বছরের এক উত্তরসূরি বাদে গত ৩০ বছর এই পরিবারের কেউ থাকেন না গ্রামে। তিনি ৯৬ হাজার ডলারে (ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় সাত কোটি) বিক্রি করতে চাইছেন পরিত্যক্ত এই গ্রাম। যাকে ঘিরে রয়েছে নানা ভৌতিক গল্প।

০৬ ০৯

শোনা যায়, সন্ধের পর এই গ্রামগুলিতে ঢোকাই যায় না। নেমে আসে অশরীরীরা। ইউরোপ জুড়ে শ’খানেকের বেশি গ্রাম ঘিরে রয়েছে এমনই সব গল্প। আসলে বহু বছর পরিত্যক্ত থাকার পর গ্রামকে ঘিরে নানা রটনা গড়ে উঠেছে।

০৭ ০৯

এস্টেট এজেন্সি এক্সপার্ট আলদেয়াস আবানদোনাদাস জানান, এমনই পরিত্যক্ত খান চল্লিশেক গ্রাম বিদেশিরা কিনে সেগুলিতে প্রাণ দিয়েছেন বলা যেতে পারে।

০৮ ০৯

ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে স্পেনের জন্ম হার দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। ২০১৭ সালে ছিল ১.৩ শতাংশ। গ্রামীণ এলাকায় বসতি ক্রমশ কমছে। কমছে অল্পবয়সিদের সংখ্যাও।

০৯ ০৯

গ্রামোন্নয়ন দফতরের সমীক্ষা বলছে, ২০৫০ সালের মধ্যে দেশের ৭০ শতাংশই শহরে বাস করবে। পরিত্যক্ত গ্রামগুলি ঘিরে তাই গড়ে উঠছে গল্প।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement