USS Gerald R Ford

সৌদির উপকূলে অগ্নিকাণ্ডের শিকার মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ জেরাল্ড ফোর্ড! গুরুতর আহত দুই নৌসেনা

২০২২ সালে ভার্জিনিয়ায় মার্কিন নৌবাহিনীর ঘাঁটি থেকে সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিল বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড। অতলান্তিক মহাসাগরে ‘নেটো’র স্ট্রাইক কোরের অংশ হিসাবে কাজ করেছে এই রণতরী।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ মার্চ ২০২৬ ১০:১২
Share:

ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড। ছবি: রয়টার্স।

ইরান উপকূলের অদূরে অগ্নিকাণ্ডের শিকার হল মার্কিন নৌসেনার বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড। এই ঘটনায় দুই নৌসেনা গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে পেন্টাগনের তরফে এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

Advertisement

সৌদি আরব উপকূলের অদূরে লোহিত সাগরে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনা। কিন্তু কেন আগুন লাগল ‘আমেরিকার সবচেয়ে দামি যুদ্ধজাহাজ জেরাল্ড ফোর্ডে? পশ্চিম এশিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টিকম) বিবৃতিতে বলেছে, ‘‘এই অগ্নিকাণ্ড যুদ্ধজনিত নয়।’’ তাদের দাবি, জাহাজের প্রধান ‘লন্ড্রি স্পেস’ থেকে এই আগুনের সূত্রপাত।

এতে জাহাজের প্রপালশন প্ল্যান্টে (যান্ত্রিক পরিচালন ব্যবস্থা) কোনও ক্ষতি হয়নি বলেও জানিয়েছে সেন্টিকম। সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, রণতরীটি পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে। সেন্টিকমের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে আহত দুই নৌসেনার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ভার্জিনিয়ায় মার্কিন নৌবাহিনীর ঘাঁটি থেকে সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিল বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড। অতলান্তিক মহাসাগরে আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ‘নেটো’র স্ট্রাইক কোরের অংশ হিসাবে কাজ করেছে এই রণতরী। ভেনিজ়ুয়েলায় মার্কিন সেনার সাম্প্রতিক অভিযানেও এই যুদ্ধজাহাজটি ব্যবহার করেছে পেন্টাগন। এর পর ফেব্রুয়ারিতে তার যাত্রা শুরু হয় পারস্য উপসাগর অভিমুখে। ইরানের বিরুদ্ধে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র গোড়া থেকেই অংশ নিয়েছে জেরাল্ড ফোর্ড।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement