Bangladesh Election

বিতর্কের মাঝে ভোটকেন্দ্রে মোবাইলের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের! বদলাল নির্দেশিকাও

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন প্রথমে নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছিল, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে যাওয়া যাবে না। ওই নির্দেশিকা ঘিরে বিতর্ক দানা বাধে। প্রশ্ন তোলে বিএনপি, জামাত, এনসিপির-র মতো প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫২
Share:

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। — ফাইল চিত্র।

বিতর্কের মাঝে এ বার সিদ্ধান্ত বদল করল বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন। ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাওয়ায় যে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করে নিল তারা। জানিয়ে দেওয়া হল, ভোটারেরা মোবাইল নিয়েই ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন। প্রার্থী এবং তাঁর এজেন্টরাও মোবাইল রাখতে পারবেন সঙ্গে। তবে ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষে ছবি তোলা যাবে না।

Advertisement

আগামী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন রয়েছে। তার আগে রবিবারই সে দেশের নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেয়, ভোটকেন্দ্রের ভিতরে মোবাইল নিয়ে যেতে পারবেন না ভোটারেরা। এমনকি, ভোটকেন্দ্রের ৩৬৫ মিটারের (৪০০ গজ) মধ্যে মোবাইল নিয়ে যাওয়া যাবে না। এই নির্দেশিকা জারি হওয়ার পরেই বিতর্ক দানা বাধতে শুরু করে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ওই নির্দেশিকা ঘিরে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে।

বিএনপির নির্বাচন কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী এই জানান, কমিশনের এই সিদ্ধান্ত মোটেই যুক্তিসঙ্গত নয়। জামায়াতে ইসলামীর মহাসচিব মিয়া গোলামও জানান, এই সিদ্ধান্ত ভোটারদের মধ্যে ভয় এবং আশঙ্কার বাতারণ তৈরি করতে পারে। কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলামও। নির্দেশিকা প্রত্যাহার না-হলে কমিশনের দফতর ঘেরাও করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

Advertisement

উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং বিতর্কের মাঝে সোমবার রাতেই সাংবাদিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের বক্তব্য, নির্দেশিকা ঘিরে একটি ‘ভুল বোঝাবুঝি’ তৈরি হয়েছিল। তিনি বলেন, “এটি (নির্দেশিকাটি) আমরা সংশোধন করে দিচ্ছি। মোবাইল নিয়ে ভোটারেরা, প্রার্থী এবং তাঁদের এজেন্টেরা ভিতরে যাবেন। তবে গোপন কক্ষে তাঁরা ছবি তুলবেন না।” কমিশনের সচিবের আরও দাবি, নির্বাচন কমিশন যা বোঝাতে চেয়েছিল, সেটা বুঝিয়ে উঠতে পারেনি। সেই কারণেই ভুল বোঝাবুঝির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement