Fire in Dhaka Airport

ঢাকা বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে কি নাশকতা? খতিয়ে দেখছে ইউনূস প্রশাসন! সাত ঘণ্টা পর শুরু উড়ান পরিষেবা

শুধু ঢাকা বিমানবন্দরের ‘কার্গো হোল্ড’ (যেখানে জিনিসপত্র রাখা হয়) এলাকার আগুনের ঘটনা নয়, সাম্প্রতিক সময়ে সে দেশে যে সব অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তা সবই খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে ইউনূস প্রশাসন। শনিবার রাতে এ সংক্রান্ত বিবৃতি জারি করে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৫ ২৩:০৫
Share:

ঢাকা বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ড। ছবি: রয়টার্স।

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে কি কোনও নাশকতার ছক ছিল? মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যদি কোনও নাশকতা বা ইচ্ছাকৃত ভাবে আগুন লাগানোর বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ করা হবে।

Advertisement

শুধু ঢাকা বিমানবন্দরের ‘কার্গো হোল্ড’ (যেখানে জিনিসপত্র রাখা হয়) এলাকার আগুনের ঘটনা নয়, সাম্প্রতিক সময়ে সে দেশে যে সব অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তা সবই খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে ইউনূস প্রশাসন। শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা, যা জনমানসে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, সেই সম্পর্কে অন্তর্বর্তী সরকার অবগত। বাংলাদেশের নাগরিকদের আশ্বস্ত করে তাদের বার্তা, সে দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সব ঘটনাই পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পর্যবেক্ষণ করে দেখছে। যদি এই সব ঘটনার নেপথ্যে নাশকতা বা ইচ্ছাকৃত ভাবে অগ্নিসংযোগের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ মেলে, তবে অবশ্যই দৃঢ় পদক্ষেপ করবে সরকার।

ঢাকা বিমানবন্দরের ঘটনার আগে চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশের দুই জায়গায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। গত মঙ্গলবার মিরপুরের শিয়ালবাড়ির একটি রাসায়নিক গুদামে আগুন লাগার ঘটনায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়। আর বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি কোম্পানিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল। চলতি সপ্তাহে প্রায় পর পর এই তিন অগ্নিকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বিবৃতি দিল ইউনূস প্রশাসন।

Advertisement

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ আগুন লাগে ঢাকা বিমানবন্দরের ‘কার্গো হোল্ড’ এলাকায়। দ্রুত সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে। ওই ‘কার্গো হোল্ড’-এর যে অংশে আগুন লেগেছে বলে খবর, সেখানে আমদানি পণ্য মজুত রাখা হয়।

আগুন লাগার ঘটনার পরেই ওই বিমানবন্দরে সাময়িক ভাবে উড়ান পরিষেবা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন কর্তৃপক্ষ। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে নামাতে হয় সেনাও। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত বাহিনীও কাজ করে। সে দেশের দমকলের ৩৭টি ইঞ্জিনকে আগুন নেবানোর কাজে লাগানো হয়। রাত ৯টার (স্থানীয় সময়) কিছু পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে খবর ‘প্রথম আলো’ সূত্রে। তার পরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর আবার ঢাকা বিমানবন্দরে বিমান পরিষেবা শুরু হয়। বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, রাত ৯টার পর দুবাই থেকে আসা একটি উড়ান ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement