US-Iran Conflict

‘খামেনেইয়ের চিন্তিত হওয়া উচিত’! পরমাণুচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরুর আগে আবার ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

পরমাণুচুক্তি নিয়ে ইরানের সঙ্গে আমেরিকার টানাপড়েন চলছেই। ট্রাম্প বার বার দাবি করেন, ইরানকে সমঝোতা করতেই হবে। যদিও ইরান প্রতিবার স্পষ্ট জানিয়ে আসছে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির সামনে মাথা নত করবে না।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫৭
Share:

(বাঁ দিকে) ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

আবার পরমাণুচুক্তি নিয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসছে আমেরিকা। শুক্রবার থেকে ওমানে শুরু হবে সেই আলোচনা। তবে সেই পরিস্থিতিতেও ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, অবশ্যই খামেনেইয়ের চিন্তিত হওয়া উচিত!

Advertisement

পরমাণুচুক্তি নিয়ে ইরানের সঙ্গে আমেরিকার টানাপড়েন চলছেই। ট্রাম্প বার বার দাবি করেন, ইরানকে সমঝোতা করতে হবে। যদিও ইরান প্রতিবারই স্পষ্ট জানিয়ে আসছে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির সামনে মাথা নত করবে না। বরং নিজেদের শর্তে আলোচনা করতে প্রস্তুত। এই দুই দেশের মধ্যে টানাপড়েন লেগে ছিল। সম্প্রতি ইরানে শুরু হওয়া গণবিক্ষোভ এবং তা নিয়ে ইরান কর্তৃপক্ষকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি— সবমিলিয়ে দু’দেশের সম্পর্ক আরও তলানিতে চলে যায়। তবে পশ্চিম এশীয় বেশ কয়েকটি দেশের উদ্যোগে আবার দুই দেশ পরমাণুচুক্তি নিয়ে আলোচনায় রাজি হয়েছে।

সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার থেকে পশ্চিম এশিয়ার দেশ ওমানে ওই বৈঠক বসতে চলেছে। ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির আলোচনায় থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তার মধ্যেও খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে সুর নরম করতে রাজি নন ট্রাম্প। এক সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়, খামেনেইয়ের কি এখনও চিন্তিত হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে? সেই প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘আমি এটাই বলব ওঁর (খামেনেইয়ের) খুব চিন্তিত হওয়া উচিত। অবশ্যই হওয়া উচিত।’’

Advertisement

আমেরিকা চায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ-সহ যাবতীয় পরমাণু কর্মসূচি ‘সম্পূর্ণ বন্ধ’ করে দিক ইরান। কিন্তু ওয়াশিংটনের সেই দাবি এখনও পর্যন্ত মানতে নারাজ তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেই এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েকশিয়ানকে ইতিমধ্যেই ট্রাম্প হুমকি দিয়ে রেখেছেন, পরমাণু চুক্তিতে সই না করলে সামরিক আগ্রাসনের মুখোমুখি হতে হবে। দুই দেশের মধ্যে চাপানউতর রয়েছে। ইরানের হামলা চালাতে পারে আমেরিকা, এমন সম্ভাবনাও তৈরি হয়। ইরানও পাল্টা সতর্ক করে আমেরিকাকে। জানিয়ে দেয়, খামেনেইয়ের উপর হামলা হলে, সেটা যুদ্ধ হিসাবেই দেখবে তারা। তবে সেই আবহে আলোচনা শুরু হচ্ছে ওমানে। যদিও ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি বৈঠকে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। তাঁদের মতে, বৈঠক শুরু হওয়ার আগে বা শুরুতেই ভেস্তে যেতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement