International News

অফিসের কাজ বাড়িতে নয়, নয়া আইন ফ্রান্সে

কর্মচারীদের স্বার্থরক্ষায় নয়া পদক্ষেপ ফরাসি সরকারের। কর্মসংস্কৃতির দোহাই দিয়ে ব্যক্তিগত জীবনে প্রযুক্তির হানাদারি বন্ধ করার অধিকার পেল সে দেশের কর্মীরা। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে তাঁরাই স্থির করবেন, কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পর ফের অফিসের ইমেল দেখবেন কি না।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০২ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:৪২
Share:

ছবি: প্রতীকী।

কর্মচারীদের স্বার্থরক্ষায় নয়া পদক্ষেপ ফরাসি সরকারের। কর্মসংস্কৃতির দোহাই দিয়ে ব্যক্তিগত জীবনে প্রযুক্তির হানাদারি বন্ধ করার অধিকার পেল সে দেশের কর্মীরা। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে তাঁরাই স্থির করবেন, কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পর ফের অফিসের ইমেল দেখবেন কি না। ফরাসি সরকারের নয়া আইন অনুযায়ী, স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে কর্মীদের অধিকার নিয়ে বাধ্যতামূলক ভাবে তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা সারতে হবে সংস্থার মালিকদের। ৫০ জন বা তার বেশি কর্মী রয়েছে এমন সংস্থার ক্ষেত্রেই এই আইন প্রযোজ্য হবে।

Advertisement

আরও পড়ুন

Advertisement

টিভিতে? এ ভাবে কথা বলুন, প্রধানমন্ত্রী

সপ্তাহ প্রতি ৩৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন ফ্রান্সের কর্মীরা। কিন্তু, তা অনেক সময়েই সে হিসাব থেকে যায় খাতায়-কলমে। ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে সব সময়ই সংস্থার মালিকদের হাতের মুঠোয় থাকেন কর্মীরা। এ ধরনের কর্মসংস্কৃতি বন্ধ করতেই উদ্যোগী হয় সরকার। ২০১৫-তে ফ্রান্সের শ্রমমন্ত্রী মারিয়াম আল খোমরি দেশের বিভিন্ন সংস্থায় একটি সমীক্ষার নির্দেশ দেন। ওই সমীক্ষার রিপোর্টে প্রকাশিত, নির্দিষ্ট সময়সীমার বাইরেও স্মার্টফোনের মাধ্যমে অফিসের কাজ করতে হয় সে দেশের কর্মীদের। গত অক্টোবরে একটি বেসরকারি সংস্থার করা সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, নির্দিষ্ট সময় পার হয়েও যাওয়ার পরেও এক-তৃতীয়াংশ কর্মী প্রতি দিন তাঁদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অফিসের কাজ করেন।

যদিও তার জন্য তাঁরা যে সব সময় অতিরিক্ত পারিশ্রমিক পান, এমনটাও নয়। এর ফলে প্রভাব পড়ছে তাদের জীবনে। অনিদ্রা-সহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ছাড়াও চিড় ধরছে ব্যক্তিগত সম্পর্কেও।

ফ্রান্সের শ্রমিক সংগঠনগুলি বহু দিন ধরেই সপ্তাহে ৩৫ ঘন্টা কাজের সময়সীমা নির্দিষ্ট করার জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। ফরাসি সরকারের এই নয়া আইন প্রসঙ্গে তাদের অভিযোগ, যে সব সংস্থাগুলি এই আইন মানবে না তাদের শাস্তি দেওয়ার জন্য কোনও বিধি এই আইনে উল্লেখ করা নেই। তবে দেশের ৬০ শতাংশ কর্মীই কর্মস্থলে নিজেদের অধিকার জানার পক্ষে বলে জানা গিয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement