Indonesian Model Manohara Odelia

সাবালক হওয়ার আগেই যুবরাজের সঙ্গে বিয়ে! মালয়েশিয়ার রাজপরিবারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তরুণী মডেল

২০০৮ সালে মালয়েশিয়ার কেলান্তান স্টেটের সুলতানের ছেলে টেংকু মুহাম্মদ ফাখরি পেত্রার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মনোহারার। সম্প্রতি মনোহারা দাবি করেছেন, বিয়ের পর তিনি ক্রমাগত যৌন নির্যাতন এবং হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:০৭
Share:

ইন্দোনেশিয়ার সেই মডেল মনোহারা ওডেলিয়া। — ফাইল চিত্র।

প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই জোর করে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয় মালয়েশিয়ার যুবরাজ টেংকু ফাখরির সঙ্গে! মালয়েশিয়ার রাজপরিবারের বিরুদ্ধে এ বার এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন ইন্দোনেশিয়ান-আমেরিকান মডেল মনোহারা ওডেলিয়া।

Advertisement

সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে মালয়েশিয়ার রাজপরিবারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ প্রকাশ্য এনেছেন মনোহারা। একটি পোস্টে ৩৩ বছর বয়সি ওই মডেল দাবি করেছেন, তিনি যখন নাবালিকা ছিলেন, সে সময় তাঁকে মালয়েশিয়ার যুবরাজ ফাখরিকে বিয়ে করার জন্য বাধ্য করা হয়। যুবরাজের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। এই বৈবাহিক সম্পর্কে তাঁর আদৌ সম্মতি ছিল না, বয়সও ছিল না সম্মতি দেওয়ার মতো।

পোস্টে মনোহারা লিখেছেন, ‘‘ওই সময় আমার সঙ্গে যা ঘটেছিল, তাকে প্রেমের সম্পর্ক বলা যায় না। এটি কোনও আইনি বিবাহও ছিল না। আমি স্বেচ্ছায় সেই সম্পর্কে যাইনি। সে সময় আমি নিতান্তই নাবালিকা ছিলাম। সবটাই জোর করে করা হয়েছিল। এতে আমার সম্মতি বা অসম্মতি দেওয়ার কোনও সুযোগ ছিল না।’’ সংবাদমাধ্যমে এবং সমাজমাধ্যমে তাঁকে ‘মান্তান ইস্ত্রি’ বা যুবরাজের প্রাক্তন স্ত্রী বলে সম্বোধন না করারও অনুরোধ করেছেন ওই মডেল। তাঁর যুক্তি, প্রাপ্তবয়স্ক দু’জনের মধ্যে অতীতে বৈবাহিক সম্পর্ক থেকে থাকলে তবেই মান্তান ইস্ত্রি শব্দটি খাটে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তাঁকে এই বিশেষণে বিশেষায়িত করলে মনোহারার সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছে, তাকে নাকচ করা হয়।

Advertisement

২০০৮ সালে মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যের সুলতানের ছেলে টেংকু মুহাম্মদ ফাখরি পেত্রার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মনোহারার। সম্প্রতি মনোহারা দাবি করেছেন, বিয়ের পর তিনি ক্রমাগত যৌন নির্যাতন এবং হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন। এমনকি, তাঁর স্বাধীন ভাবে চলাফেরা করারও অধিকার ছিল না। নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে দেওয়া হত না তাঁকে। সর্বক্ষণ তাঁকে প্রাসাদের ভিতরে কার্যত বন্দি করে রাখা হত। এক বছর পর, ২০০৯ সালে একটি রাজকীয় ভ্রমণের সময় সিঙ্গাপুরের একটি হোটেল থেকে কোনও ভাবে বাকিদের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন মনোহারা। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং মার্কিন দূতাবাসের সহায়তায় শেষমেশ ইন্দোনেশিয়ায় নিজের পরিবারের কাছে ফিরে যান তিনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement