US-Iran Conflict

মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের জন্য খোলা হরমুজ় প্রণালী, ২০টি জাহাজ পার করার অনুমতি দিল ইরান

ইরানের পদক্ষেপকে ‘গঠনমূলক’ বলে বর্ণনা করেছে পাকিস্তান। সে দেশের উপপ্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইশাক দারের মতে, ‘‘ওই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা আনতে এ ধরনের পদক্ষেপ সাহায্য করবে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ মার্চ ২০২৬ ০৯:৫২
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

পাকিস্তানের জন্য হরমুজ় প্রণালী খুলে দেওয়া হবে, আগেই জানিয়েছিল ইরান। সেই মতোই এ বার পাকিস্তানের ২০টি জাহাজকে হরমুজ় পার করার ‘অনুমতি’ দিল তেহরান। পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার বিষয়টি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ইরানের এই পদক্ষেপকে ‘শান্তির বার্তা’ হিসাবে দেখতে চাইছে পাকিস্তান।

Advertisement

এক্স পোস্টে ইশাক লেখেন, ‘আমি আনন্দিত যে, ইরান সরকার পাকিস্তানের আরও ২০টি জাহাজকে হরমুজ় প্রণালী দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে।’’ তবে এক সঙ্গে ২০টি জাহাজ হরমুজ় পার করবে না। প্রতি দিন দু’টি করে জাহাজ হরমুজ় পেরিয়ে পাকিস্তানের দিকে যাবে, এমনই জানিয়েছেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী।

ইরানের পদক্ষেপকে ‘গঠনমূলক’ বলে বর্ণনা করেছে পাকিস্তান। ইশাকের মতে, ‘‘ওই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা আনতে এ ধরনের পদক্ষেপ সাহায্য করবে।’’ তিনি মনে করেন, সঙ্কট পরিস্থিতি থেকে বার হওয়ার একমাত্র কার্যকর পথ কূটনৈতিক আলোচনা। উল্লেখ্য, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে হরমুজ় প্রণালীতে অন্য দেশের মতো পাকিস্তানেরও বেশ কয়েকটি জাহাজ আটকে ছিল। সে নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা শুরু হয়। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ইশাক ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে ফোনে কথাও বলেন। কী ভাবে ওই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব, কূটনৈতিক আলোচনার প্রয়োজনীয়তা ইত্যাদি নিয়ে কথা হয় দু’জনের মধ্যে।

Advertisement

ইরান আগেই বলেছিল, তাদের সঙ্গে শত্রুতা নেই, এমন দেশের জাহাজগুলিকে হরমুজ় প্রণালী দিয়ে নিরাপদে যাতায়াত করতে দিতে রাজি তেহরান। সেই তালিকায় ভারত থাকলেও পাকিস্তানের জাহাজকে হরমুজ় প্রণালী পার করার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। দিন কয়েক আগে খবর ছড়ায়, পাকিস্তানমুখী একটি জাহাজ হরমুজ় পার হওয়ার সময়ে বাধার মুখে পড়েছে। তা নিয়ে শোরগোল শুরু হতেই ইরান জানিয়ে দেয়, পাকিস্তানের জাহাজ আটকানো হবে না।

প্রসঙ্গত, ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে পাকিস্তান। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ যুযুধান দু’পক্ষকে মুখোমুখি বসানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করেন। জানান, পাকিস্তানের মাটিতে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি-আলোচনা আয়োজন করতে চান তিনি। তবে আমেরিকা এবং ইরান— দুই দেশই পাকিস্তানকে ‘দূত’ হিসাবে মেনে নিয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement