Iran-Israel War

আমেরিকা ও ইজ়রায়েলে হামলা চালাতে চিনের উপগ্রহকে ‘চোখ’ হিসাবে ব্যবহার ইরানের? কী ভাবে ‘নিখুঁত’ হামলা, জোর জল্পনা

কী ভাবে দুই দেশের বিরুদ্ধে ‘নিখুঁত’ হামলা চালাচ্ছে ইরান, তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। যখন এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, সেই সময়েই বেশ কয়েকটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, দুই রাষ্ট্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে চিনের ‘বেইদু’ উপগ্রহব্যবস্থাকে কাজে লাগাচ্ছে ইরান।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬ ১৬:৫২
Share:

ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের। ছবি: রয়টার্স।

আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলে হামলা চালাতে চিনের উপগ্রহব্যবস্থাকে কাজে লাগাচ্ছে ইরান? বিভিন্ন সূত্রে এমনই দাবিকে ঘিরে জল্পনা জোরালো হতে শুরু করেছে। কী ভাবে দুই দেশের বিরুদ্ধে ‘নিখুঁত’ হামলা চালাচ্ছে ইরান, তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। যখন এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, সেই সময়েই বেশ কয়েকটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, দুই রাষ্ট্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে চিনের ‘বেইদু’ উপগ্রহব্যবস্থাকে কাজে লাগাচ্ছে ইরান।

Advertisement

আল জাজ়িরা-র প্রতিবেদন বলছে, সংঘাতের শুরুর দিকে যে ভাবে হামলা চালাচ্ছিল ইরান, সময় যত এগিয়েছে, সেই কৌশল বদলেছে। শুধু তা-ই নয়, নিশানা আরও ‘নিখুঁত’ হয়েছে। আর তা থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে, হামলার জন্য ‘চোখ’ হিসাবে চিনের ‘বেইদু নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম’-কে ব্যবহার করছে ইরান। প্রসঙ্গত, আমেরিকার গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস)-কে টক্কর দিতে বেইদু উপগ্রহ ব্যবস্থাকে গড়ে তুলেছে চিন। ২০২০ সালে এই ব্যবস্থাকে মোতায়েন করা হয়েছে।

এই উপগ্রহ ব্যবস্থায় ৪৮টি উপগ্রহ কাজ করছে। তার মধ্যে আঞ্চলিক ক্ষেত্রের জন্য ১৫টি বেইদু-২ উপগ্রহ কাজ করে। বাকি ৩৩টি বেইদু-৩ উপগ্রহ ‘গ্লোবাল সিস্টেম’-এ কাজ করছে। ২০০০ সালে প্রথম প্রজন্মের বেইদু উপগ্রহ কাজ শুরু করে। শুধু চিনের মধ্যেই এই উপগ্রহের পরিষেবা ছিল। তার পর ২০১২ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের বেইদু উপগ্রহ মোতায়েন করে চিন। এটি এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নজরদারির জন্য মোতায়েন করা হয়। তৃতীয় প্রজন্মের বেইদু উপগ্রহ কাজ শুরু করে ২০২০ সাল থেকে।

Advertisement

কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেইদু উপগ্রহ ব্যবস্থাকে ব্যবহারের জন্য চিনের সঙ্গে চুক্তি করেছিল ইরান। ২০১৫ সালেই সেই চুক্তি হয়েছিল বলে দাবি। পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাত শুরু হতেই আবার সেই উপগ্রহ ব্যবস্থা আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। ইরানের উপ-যোগাযোগ মন্ত্রী এহসান চিতসাজ দাবি করেছেন, জিপিএস-এ বার বার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। তার জন্যই বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে বেইদু উপগ্রহ ব্যবস্থার উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উপগ্রহ ব্যবস্থাকে ইরান পরিবহণ, কৃষি, ইন্টারনেট পরিষেবার জন্য কাজে লাগাচ্ছে না, সামরিক ক্ষেত্রেও এই ব্যবস্থাকে কাজে লাগানো হচ্ছে। সিগন্যাল জ্যামিং, সাইবার হামলা রুখতেও এই ব্যবস্থাকে কাজে লাগানো হয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement